
জানা গেছে, খরস্রোতা পদ্মা নদীর আরুয়ায় অসময়ে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। এতে পাটুরিয়া ঘাট, বড়রিয়া, তিন ফসলের মাঠ, বড়-বড় গাছপালা, বসতি বাড়িঘর ও নয়াকান্দি এলাকার বাড়িঘর রাস্তাঘাটসহ মসজিদ চরম হুমকির মুখে পড়েছে বলে স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন। সামনে বর্ষা মৌসুম শুরু হওয়ার আগে ভাঙ্গন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে এসব এলাকা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে বলে স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন। তাই অতি দ্রুত বেড়িবাঁধ নির্মাণের জোড় দাবি জানান মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী স্থানীয় জনতা।
অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, মানিকগঞ্জ-১ (শিবালয়-ঘিওর-দৌলতপুর) আসনের স্বতন্ত্র এমপি প্রার্থী মো. তোজাম্মেল হক তোজা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোবারক হোসেন খান পান্নু, বিএনপি নেতা কবির হোসেন, তাপস খান, আলমগীর হোসেন, ষষ্ঠী চন্দ্র হালদার, মো. মনির হোসেন, নুরুল ইসলাম, নিহাজ উদ্দিন, আব্দুল সাত্তার ও মো. হযরত আলী প্রমুখ। এছাড়া, নদী ভাঙ্গনে সর্বস্ব হারানো চার শতাধিক নারী-পুরুষ এ মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নেন।
এ সময় বক্তারা বলেন, অতিদ্রুত ঘাট এলাকাসহ পাটুরিয়া থেকে নয়াকান্দি পর্যন্ত ভাঙ্গনরোধে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের করতে হবে। আগামী বর্ষা মৌসুমের আগে অতিদ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়াসহ বেড়িবাধ নির্মাণ না করলে এসব এলাকা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
খবর পেয়ে, শিবালয় উপজেলা নির্বাহী অফিসার মনিষা রানী কর্মকার, শিবালয় থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন, ওসি (তদন্ত) মানবেন্দ্র বলো, বিআইডব্লিউটিএ'র আরিচা শাখার উপ-সহকারী প্রকৌশলী মুসা মিয়া, পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী মবিনুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা ঘটনাস্থলে আসেন। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে কথা বলে অতিদ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন বলে মানববন্ধনে অংশগ্রহণকারী স্থানীয়দের আশ্বস্ত করেন।