যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাউসার হুমায়ুন জানান, সকাল সাড়ে ৯টার দিকে যাত্রাবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির ওয়াশরুমের সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় শফিকুলকে দেখতে পান তারা। পরে আইনি প্রক্রিয়া শেষে বেলা দেড়টার দিকে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেলের মর্গে পাঠানো হয়।
এসআই কাউসার আরও জানান, মো. শফিকুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। চিকিৎসা সেবাও নিয়েছেন তিনি। ধারণা করা হচ্ছে, মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) দিনগত রাত সাড়ে ৩টা থেকে বুধবার সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যে ওয়াশরুমে গিয়ে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে রশি ঝুলিয়ে গলায় ফাঁস নেন তিনি। তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
নিহত শফিকুল ইসলামের চাচাতো ভাই পারভেজ মল্লিক বলেন, ‘প্রায় এক বছর ধরে তার ঠিকমতো ঘুম হতো না। দুই দিন আগেও ভিডিও কলে আমাকে বলেন, রাতে ঘুম হয় না। ঘুমের ওষুধ খেলেও পর্যাপ্ত ঘুম হয় না।’
নিহত শফিকুল ইসলামের বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলায়। বর্তমানে তিনি যাত্রাবাড়ী পুলিশ ফাঁড়ির ব্যারাকে থাকতেন। তিনি দুই ছেলে ও এক মেয়ের জনক।