প্রকাশ: বুধবার, ১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৭:৫৫ পিএম (ভিজিট : ৬২)

X
চট্টগ্রাম-১৪ (চন্দনাইশ-সাতকানিয়া আংশিক) আসনে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিতের স্বার্থে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা জোরদারের দাবি জানিয়েছেন ফুটবল প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ মিজানুল হক চৌধুরী।
তিনি বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৫টার দিকে সাতকানিয়া উপজেলার বাজালিয়া ইউনিয়নের নাছিরের দোকানে অবস্থিত তার নিজ বাসভবনে একটি সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এ দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ভোট হচ্ছে জনগণের সাংবিধানিক অধিকার। ভোটাররা যাতে নির্ভয়ে, স্বতঃস্ফূর্তভাবে কেন্দ্রে গিয়ে তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, সে জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। অতীতের বিভিন্ন নির্বাচনে কিছু কেন্দ্রে প্রভাব বিস্তার, ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং কেন্দ্র দখলের মতো ঘটনা ঘটেছে। এসব অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে আগে থেকেই কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা জরুরি। বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলো চিহ্নিত করে সেখানে অতিরিক্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।
মিজানুল হক আরও বলেন, নির্বাচনের দিন স্ট্রাইকিং ফোর্স, মোবাইল টিম এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের টহল জোরদার করতে হবে। পাশাপাশি ভোটগ্রহণের আগে ও পরে কেন্দ্রের আশপাশে যেন কোনো ধরনের মহড়া, শক্তি প্রদর্শন বা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়েও কঠোর নজরদারি করতে হবে।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, সম্প্রতি সাতকানিয়া উপজেলার পুরানগড় ইউনিয়নের ফকিরখীল গ্রামে বিএনপির লোকজন আমার এক প্রচার কর্মীকে মারধর করেছে। এটি কোনভাবেই কাম্য নয়। আমি বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে সেনাবাহিনীকে জানিয়েছিলাম।
মিজানুল হক বলেন, আমি বিশ্বাস করি, প্রশাসন নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করলে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব। নির্বাচনকে ঘিরে সাধারণ ভোটারদের মাঝে যাতে কোনো ধরনের আতঙ্ক না থাকে, সে জন্য দৃশ্যমান নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো প্রয়োজন। নারী ভোটারদের নিরাপদে কেন্দ্রে যাওয়া-আসার বিষয়টিও গুরুত্ব দিতে হবে।
গতকাল রাতে চন্দনাইশে যৌথবাহিনী কর্তৃক তার সাড়ে ১০ লক্ষ টাকাসহ একটি মাইক্রোবাস জব্দের ঘটনার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, প্রতিটি নির্বাচন পরিচালনার জন্য একটি নির্দিষ্ট ব্যয় ধরা থাকে। জব্দকৃত টাকার মধ্যে আমার কিছু নির্বাচন পরিচালনার টাকা ছিল এবং সেখানে যে ব্যক্তি ছিল তারও কিছু টাকা ছিল। টাকাগুলো জব্দ হওয়ার কারণে আমাকে কিছুটা হিমশিম খেতে হচ্ছে। এগুলো সম্পূর্ণ বৈধ টাকা। এখন যেহেতু ব্যস্ততার কারণে পদক্ষেপ নিতে পারছিনা। তাই নির্বাচনের পরে টাকাগুলো ফেরত পাওয়ার জন্য সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করব।