গাইবান্ধার প্রকৃতিকে রাঙ্গিয়েছে পলাশ

গাইবান্ধা প্রতিনিধি

সারাবাংলা

পলাশ আজকাল খুব কম দেখা যায়। তবে গাইবান্ধায় পৌর পার্কে পলাশের সুশোভিত আগমনে প্রকৃতি বর্ণিল সাজে সেজেছে। বৈজ্ঞানিক

2026-02-16T15:34:22+00:00
2026-02-16T15:34:22+00:00
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬ ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬
   
গাইবান্ধার প্রকৃতিকে রাঙ্গিয়েছে পলাশ
গাইবান্ধা প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৩:৩৪ পিএম   (ভিজিট : ১২০)
X

পলাশ আজকাল খুব কম দেখা যায়। তবে গাইবান্ধায় পৌর পার্কে পলাশের সুশোভিত আগমনে প্রকৃতি বর্ণিল সাজে সেজেছে। বৈজ্ঞানিক নাম Butea Monosperma. পলাশ ফুলের আরেক নাম অরণ্যের অগ্নিশিখা। 

হলুদ লাল ও লালচে কমলা রং নিয়ে পলাশ ফুল বসন্ত ঋতুতে দেখতে পাওয়া যায়। ফুল ফোটার সময় গাছ পাতা শূন্য হয়ে যায়। ২ থেকে ৪ সে মিঃ লম্বা হয় পলাশ। কুঁড়িগুলো দেখতে অনেকটা নখের মত। শাখা প্রশাখা গুলো আঁকা বাঁকা। যে কোন মানুষের নজর কাড়ে পলাশ। পলাশ ফুলের সৌন্দর্য্যে অভিভূত হয়নি এমন মানুষ পাওয়া যাবে না। 

বসন্তের মাতাল সমীরণে লালচে মন রাঙ্গানো পলাশ দেখে প্রকৃতি প্রেমীরা মগ্ন হয়ে যায়। ফুলের মেলায় পাখির কলতানে মুখুরিত হয় চারদিক। কবির ভাষায় – 
‘‘আমায় গেঁেথ দাও না মাগো, একটা পলাশ ফুলের মালা,
আমি জনম জনম রাখব ধরে,
ভাই হারানো জ¦ালা...।’’


লালচে কমলা আভা সমৃদ্ধ পলাশ বাউলদের ছন্দায়িত করে তোলে। তথ্যানুযায়ী বাংলাদেশ, ভারত, নেপাল, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, মিয়ানমার, লাউস, কম্পোডিয়া, ভিয়েতনাম ও মালয়েশিয়া পর্যন্ত পলাশ বিস্তৃৃত। কবি ঠাকুরের গানে ও কবিতায় পলাশ ফুলের উল্লেখ আছে। পলাশের লাল পাপড়ির   স্নিগ্ধা ছোঁয়া আজ গাইবান্ধা শহরে। পরিতাপের বিষয় হারিয়ে যাচ্ছে পলাশ ফুলের গাছ।


গাইবান্ধার ঐতিহ্যবাহী পৌর পার্কে একাধিক পলাশ ফুলের গাছ লক্ষ্য করা গেছে। শাণ বাঁধাই পুকুর ঘাটে ফুলে ফুলে শোভিত মন মাতানো পলাশ, ফুলের গাছ গুলোতে পাতা নেই বললেই চলে। পলাশ প্রস্ফুটিত গাছগুলিতে পাখির কলতান লক্ষ্য করা গেছে। পৌরপার্কে এমন কোন দর্শনার্থী নেই যে, এই সৌন্দর্য্য উপভোগ করে না। 

পৌর পার্কের গেইট পার হয়ে গাইবান্ধা পাবলিক লাইব্রেরী এন্ড ক্লাবের উত্তর পাশের্^ শাণ বাঁধাই ঘাটে প্রস্ফুটিত পলাশের সৌন্দর্য্য দেখতে তরুন তরুনীরা জমপেশ আড্ডায় মগ্ন হতে দেখা যায়। আরিফ আলাল নামে একজন দর্শনার্থী এ প্রতিবেদককে জানান-বিলুপ্ত প্রায় পলাশ গাছকে টিকিয়ে রাখতে সবাইকে সচেতন হতে হবে। পলাশের সৌন্দর্য্য ধরে রাখতে বীজ সংগহ করে উদ্যানে ও পর্যটন কেন্দ্রে ছড়িয়ে দেয়ার উদ্যোগ নেওয়া উচিত। এ বিষয়ে বনবিভাগ গাইবান্ধার ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক মোঃ শরিফুল ইসলাম জানান বিক্রয় ও বিতরণের মাধ্যমে পলাশ গাছ সংরক্ষণ করার চেষ্টা করছি।






Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy