প্রকাশ: মঙ্গলবার, ২৪ মার্চ, ২০২৬, ৯:২২ পিএম (ভিজিট : ১২১)

X
প্রশাসনের নজরদারি জোরদার
ঈদুল ফিতরের ছুটি শেষে কর্মজীবী মানুষের স্বাভাবিক যাতায়াত নির্বিঘ্ন রাখতে এবং জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর উপজেলায় ব্যাপক তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মাহমুদ আশিক কবির।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দিনব্যাপী উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ পেট্রোল পাম্প, লাইসেন্সপ্রাপ্ত ডিলার এবং বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ডে এ নজরদারি পরিচালিত হয়। ঈদের ছুটি শেষে মানুষ কর্মস্থলে ফিরতে শুরু করায় জ্বালানি তেলের চাহিদা কিছুটা বেড়েছে—এ বাস্তবতা বিবেচনায় রেখে প্রশাসন সরবরাহ ব্যবস্থা সচল রাখতে উদ্যোগ নেয়।
পরিদর্শনকালে ইউএনও পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানির মজুদ পরিস্থিতি যাচাই করেন এবং সরকার নির্ধারিত দামে তেল বিক্রি হচ্ছে কিনা তা নিশ্চিত করেন। একই সঙ্গে গ্রাহকদের কোনো ধরনের ভোগান্তি হচ্ছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হয়। এ সময় পাম্প মালিক ও কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে নিয়ম মেনে ব্যবসা পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
লাইসেন্সপ্রাপ্ত ডিলারদের কার্যক্রমও পর্যবেক্ষণ করা হয়। ইউএনও স্পষ্টভাবে জানান, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি কিংবা নির্ধারিত মূল্যের বাইরে তেল বিক্রির মতো অনিয়মের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এছাড়া, উপজেলার সড়কগুলোতে চলাচলকারী দূরপাল্লার বাস ও পরিবহন ব্যবস্থার ওপরও নজর রাখা হয়। যাত্রীদের স্বস্তিদায়ক যাতায়াত নিশ্চিত করতে বাসগুলো নির্ধারিত নিয়ম মেনে চলছে কিনা এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা হয়।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে বাজার মনিটরিং ও তদারকি কার্যক্রম নিয়মিতভাবে পরিচালিত হচ্ছে। বিশেষ করে ঈদসহ বড় উৎসবের সময় সাধারণ মানুষ যেন কোনো ধরনের দুর্ভোগে না পড়ে, সে বিষয়ে প্রশাসন সতর্ক রয়েছে।
ইউএনও মাহমুদ আশিক কবির বলেন, “ঈদ পরবর্তী সময়ে মানুষের স্বাভাবিক চলাচল নিশ্চিত করা এবং জ্বালানি তেলের সরবরাহ সচল রাখা অত্যন্ত জরুরি। তাই বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং অনিয়ম প্রতিরোধে নিয়মিত তদারকি চালানো হচ্ছে।”
তিনি আরও জানান, ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং জনস্বার্থবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ড বরদাস্ত করা হবে না। প্রশাসনের এই উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও।