প্রকাশ: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ৭:২৪ পিএম (ভিজিট : ৮২)

X
সংগৃহীত ছবি
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় তরমুজ চাষির করা চাঁদাবাজি মামলায় মো. অলিউল্লাহ্ ওরফে অলি নামে এক উপ-খাদ্য কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) রাত ১০টার দিকে উপজেলা সদরের হাসপাতাল সড়ক এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। তিনি র্মিজাগঞ্জ উপজেলার খাদ্য কর্মকর্তা নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ে উপ-খাদ্য পরিদর্শক কর্মরত আছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, তরমুজ চাষি আরব আলীসহ রাঙাবালী ও চরফ্যাশন উপজেলার একাধিক চাষি দীর্ঘদিন ধরে বাউফলের চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের চরাঞ্চলে জমি বর্গা নিয়ে তরমুজ চাষ করে আসছেন। চলতি মৌসুমে তারা চন্দ্রদ্বীপের চর দিয়ারা কচুয়া এলাকায় জমি লিজ নিয়ে চাষাবাদ করেন।
অভিযোগে বলা হয়, গাছে ফল আসার পর অলির নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত্ব চাষকৃত জমি নিজেদের দাবি করে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে। চাঁদা না দিলে খেত থেকে তরমুজ কাটতে দেওয়া হবে না বলেও হুমকি দেওয়া হয়।
এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, চলতি মাসের শুরুতে চাষিরা প্রায় ৯ হাজার পিস তরমুজ সংগ্রহ করে দুটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে তুলে মোকামে পাঠানোর প্রস্তুতি নেন। যার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ২৭ লাখ টাকা। গত ১৬ মার্চ বেলা ১১টার দিকে অলি ও তার সহযোগীরা দেশীয় অস্ত্রসহ সেখানে উপস্থিত হয়ে চাঁদা দাবি করে। চাষিরা অস্বীকৃতি জানালে তারা তরমুজ বোঝাই ট্রলার দুটি জোরপূর্বক নিয়ে যায়।
পরবর্তীতে অভিযুক্ত অলি ১০ হাজার টাকা নিয়ে একটি ট্রলার, যাতে প্রায় ৪ হাজার তরমুজ ছিল, তা চাষিদের ফেরত দেয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী চাষি আরব আলী বাদী হয়ে বাউফল থানায় উপ-খাদ্য কর্মকর্তা মো. অলিউল্লাহ্ ওরফে অলি প্রধান আসামী করে ১৫ জনের নাম উল্লেখ করে ও আরো অজ্ঞাত ১০ থেকে ১২জনের বিরুদ্ধে একটি চাঁদাবাজী মামলা দায়ের করেন।
মামলার পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ অভিযুক্ত উপ-খাদ্য কর্মকর্তা অলিকে গ্রেফতার করে।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম বলেন, গ্রেফতারকৃতকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকী আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।