প্রকাশ: শুক্রবার, ২৭ মার্চ, ২০২৬, ৭:৫৭ পিএম (ভিজিট : ৬২)

X
৬২ হাজার মেট্রিক টন গম চট্টগ্রাম বন্দরে
বাংলাদেশে গমের চাহিদা পূরণে আমদানি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে আরও ৬২ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন গম দেশে এসে পৌঁছেছে। শুক্রবার (২৭ মার্চ) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
খাদ্য মন্ত্রণালয় জানায়, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্র সরকারের মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) আওতায় নগদ ক্রয় চুক্তি নম্বর জি টু জি-০৩ অনুযায়ী এই গম আমদানি করা হয়েছে। এমভি. উবন নারী (MV. UBON NAREE) নামের জাহাজটি গম নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছেছে।
এর আগে একই জি টু জি-৩ চুক্তির আওতায় প্রথম চালানে ৫৮ হাজার ৪৫৭ মেট্রিক টন গম দেশে আসে। সর্বশেষ চালানসহ এই চুক্তির অধীনে গম আমদানির কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
বর্তমানে জাহাজে থাকা গমের নমুনা পরীক্ষার কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পরীক্ষার কাজ শেষে দ্রুত গম খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। জাহাজে আনা মোট ৬২ হাজার ১৫০ মেট্রিক টন গমের মধ্যে ৩৭ হাজার ২৯০ মেট্রিক টন চট্টগ্রাম বন্দরে এবং অবশিষ্ট ২৪ হাজার ৮৬০ মেট্রিক টন মোংলা বন্দরে খালাস করা হবে।
বাংলাদেশ সরকার ইতোমধ্যে সরকার টু সরকার (জি টু জি) ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্র থেকে গম আমদানি কার্যক্রম জোরদার করেছে। এর আগে জি টু জি-১ ও জি টু জি-২ চুক্তির আওতায় আমদানিকৃত সব গম দেশে পৌঁছেছে। জি টু জি-১ চুক্তির মাধ্যমে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৮৪৫ মেট্রিক টন এবং জি টু জি-২ চুক্তির মাধ্যমে ২ লাখ ৩০ হাজার ৩৯ মেট্রিক টন গম আমদানি করা হয়। এ দুটি চুক্তির আওতায় মোট ৪ লাখ ৬৭ হাজার ৮৮৪ মেট্রিক টন গম দেশে এসেছে।
উল্লেখ্য, দেশে গমের মোট বার্ষিক চাহিদা প্রায় ৭০ লাখ মেট্রিক টন, যেখানে দেশীয় উৎপাদন মাত্র ১০ লাখ মেট্রিক টনের মতো। ফলে বাকি চাহিদা পূরণে সরকার ও বেসরকারি খাতে বিদেশ থেকে গম আমদানি করতে হয়। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশ থেকে গম আমদানির মাধ্যমে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রচেষ্টা অব্যাহত।