প্রকাশ: শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৬, ২:১৪ পিএম আপডেট: ০৪.০৪.২০২৬ ২:১৬ পিএম (ভিজিট : ৩৩)

X
নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি হওয়ায় গত ৩৫ দিনে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২৪৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় নিরাপত্তা ঝুঁকি সৃষ্টি হওয়ায় গত ৩৫ দিনে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ২৪৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত এই বিপুল সংখ্যক ফ্লাইট বাতিল করতে বাধ্য হয়েছে কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) নতুন করে মধ্যপ্রাচ্যগামী আরও ৬টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।
শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের আকাশসীমায় যুদ্ধবিমান ও ক্ষেপণাস্ত্রের অবাধ বিচরণের কারণে বেসামরিক বিমান চলাচল মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়েছে শারজা, দুবাই ও আবুধাবি রুটে।
শুক্রবার বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ২টি, এয়ার আরাবিয়ার ২টি এবং সালাম এয়ারের ২টি ফ্লাইট। এসব এয়ারলাইন্সের সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমানগামী ফ্লাইট শিডিউল সবচেয়ে বেশি অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে।
এদিকে, একের পর এক ফ্লাইট বাতিল হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার প্রবাসী। অনেকেই ছুটিতে দেশে এসে আটকা পড়েছেন, আবার অনেকের নতুন ভিসায় কর্মস্থলে যোগ দেওয়ার নির্ধারিত সময় ঘনিয়ে এসেছে। টিকিট ফেরত পাওয়া বা নতুন শিডিউল নিশ্চিত করা নিয়েও চরম অনিশ্চয়তায় রয়েছেন তারা।
চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে যাত্রীসেবায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটেছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ এপ্রিল পর্যন্ত মোট ২৪৫টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করতে হয়েছে।
তিনি আরও জানান, পরিস্থিতির কবে উন্নতি হবে এবং আকাশপথ কবে নিরাপদ হবে তা এখনো অনিশ্চিত। বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ ও যাত্রীরা এ বিষয়ে পরিস্থিতির উন্নতির অপেক্ষায় রয়েছেন।