প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬, ১:০৮ পিএম (ভিজিট : ৪৫)

X
মাদারীপুরে স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে অসুস্থ শিক্ষার্থীদের হাসপাতালে দেখতে গেলেন জেলা প্রশাসক
মাদারীপুর সদর উপজেলাধীন কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে অন্তত ৩০ শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ার ঘটনায় হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের দেখতে গিয়েছেন জেলা প্রশাসক মিজ্ মর্জিনা আক্তার। এ ঘটনায় মেয়াদোত্তীর্ণ রুটি জব্দ, ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন ও নিয়মিত মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বুধবার (৮ এপ্রিল) মাদারীপুর সদর উপজেলার ৬ স্কুলসহ আরও কয়েকটি স্কুলে এ ঘটনা ঘটে। আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) সকালে প্রেস রিলিজের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত করেন মাদারীপুর এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আর রিপন।
জানা গেছে, কার্যাদেশপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান সামান্তা ট্রেডার্সের মাধ্যমে ফিডিং কার্যক্রমের আওতায় শিক্ষার্থীদের মাঝে কলা, পাউরুটি ও ডিম বিতরণ করা হয়। খাবার গ্রহণের কিছুক্ষণ পরেই উপজেলার ৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষার্থী অসুস্থ হয়ে পড়ে। পরে অসুস্থ ১৭ জন শিক্ষার্থীকে দ্রুত মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এর মধ্যে ৬ জনকে ভর্তি করে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
এছাড়া স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আরও কিছু শিক্ষার্থী এলাকায় প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছে। এদিকে, ঘটনার পরপরই জেলা প্রশাসনের তদারকি কার্যক্রমের অংশ হিসেবে হাউসদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে যান এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মাহবুব আর রিপন। এসময় সেখান থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ রুটি জব্দ করা হয়। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
অন্যদিকে, শিক্ষার্থীদের অসুস্থ হওয়ার কারণ অনুসন্ধানে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, বুধবার বিকেলে হাসপাতালে ভর্তি শিক্ষার্থীদের দেখতে যান জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ মর্জিনা আক্তার। এসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) ফাতিমা আজরিন তন্বী ও মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ওয়াদিয়া শাবাব সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
মাদারীপুর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মিজ্ মর্জিনা আক্তার বলেন, কয়েকটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে স্কুল ফিডিংয়ের খাবার খেয়ে শিক্ষার্থী অসুস্থ হওয়ার খবর শুনে আমি সাথে সাথে হাউসদী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শনে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট পাঠাই। এসময় সেখান থেকে মেয়াদোত্তীর্ণ রুটি জব্দ করা হয়। অন্য আরও কয়েকটি বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অসুস্থ্য হয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি হলে আমি বিকেলে গিয়ে সেই শিশু শিক্ষার্থীদের হাসপাতালে দেখতে যাই। শিক্ষার্থীদের অসুস্থ হওয়ার কারণ অনুসন্ধানে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।