
X
ঝিনাইদহের হরিণাকুন্ডু উপজেলায় কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি ও সেচব্যবস্থা উন্নয়নের লক্ষ্যে খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ৯টায় উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলার ১ নম্বর ভায়না, ২ নম্বর জোড়াদহ ও ৫ নম্বর কাপাশাটিয়া ইউনিয়নের ডি-১২এক্সকে (D-12XK) খাল খনন কাজের উদ্বোধন করা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দিদারুল আলমের সভাপতিত্বে এবং আব্দুল মমিনের সঞ্চালনায় আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠান ও সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঝিনাইদহ জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি আলহাজ অ্যাডভোকেট মো. আব্দুল মজিদ।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হরিণাকুন্ডু উপজেলা বিএনপির সভাপতি আবুল হাসান মাস্টার, সাধারণ সম্পাদক তাইজাল হোসেন, জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আফাঙ্গীর বিশ্বাস, জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম পিন্টু, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আজিজুর রহমান, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল মমিন, পৌর বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল আলম টোটন, সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক আব্দুস সামাদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম স্বপন, কৃষক দলের সদস্য সচিব আইয়ুব হোসেন, যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সাইদুর রহমান বিটু, যুগ্ম আহ্বায়ক মুকুল হোসেন, নাজমুল হুদা রিপন ও আব্দুল আজিজ, উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব শামীম রেজা প্রমুখ। এছাড়া ওসি (তদন্ত) অসিত কুমারসহ বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, কৃষিপ্রধান দেশ হওয়া সত্ত্বেও নদী-নালা ও খাল বিল ভরাট হয়ে যাওয়ায় কৃষি ব্যবস্থাপনা হুমকির মুখে পড়েছে। সেচব্যবস্থা উন্নয়ন ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় দেশজুড়ে নদী-নালা ও খাল খনন ও পুনঃখননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আগামী পাঁচ বছরে প্রায় ২০ হাজার কিলোমিটার জলাধার খননের পরিকল্পনা রয়েছে, যার প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় কাজ চলছে।
বক্তারা আরও বলেন, টেকসইভাবে খাল খনন ও রক্ষণাবেক্ষণ করা গেলে কৃষি উৎপাদনে বিপ্লব ঘটানো সম্ভব। তারা স্মরণ করেন, ১৯৭৭ সালে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচি চালু করে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। তবে সময়ের ব্যবধানে দখল, ভরাট ও অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে অনেক খাল বিলুপ্ত হয়ে গেছে। ফলে কোথাও জলাবদ্ধতা, আবার কোথাও শুষ্ক মৌসুমে তীব্র পানির সংকট দেখা দিচ্ছে।
এ কর্মসূচির মাধ্যমে খাল পুনরুদ্ধার হলে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, সেচব্যবস্থার উন্নয়ন এবং পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা প্রকাশ করেন বক্তারা।