প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্প্রতি তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি নিবন্ধ শেয়ার করেন, যেখানে ইরানকে অর্থনৈতিকভাবে চাপে ফেলতে সম্ভাব্য নৌ-অবরোধের প্রস্তাব তুলে ধরা হয়। ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠ গণমাধ্যম হিসেবে পরিচিত জাস্ট দ্য নিউজ-এ প্রকাশিত ওই প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল “ইরান নতি স্বীকার না করলে প্রেসিডেন্টের হাতে থাকা ট্রাম্প কার্ড: নৌ-অবরোধ।”
প্রতিবেদনটিতে উল্লেখ করা হয়, নৌ-অবরোধ আরোপ করা হলে ইরানের অর্থনীতির ওপর চরম চাপ তৈরি হবে। বিশেষ করে দেশটির প্রধান জ্বালানি তেল আমদানিকারক দেশ চীন ও ভারতের সঙ্গে ইরানের বাণিজ্য ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করেই এই পরিকল্পনার কথা বলা হয়েছে। এই অবরোধ কার্যকর হলে ইরানের তেল রপ্তানি কার্যত স্থবির হয়ে পড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
নিবন্ধে এই রণকৌশলকে ভেনিজুয়েলার ওপর প্রয়োগ করা পূর্ববর্তী মার্কিন অবরোধ নীতির সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। সেখানে দাবি করা হয়, আলোচনার টেবিলে ইরানকে নমনীয় করতে এবং দেশটির ওপর অর্থনৈতিক চাপ চরমে নিয়ে যেতে এর আগে ভেনিজুয়েলার ক্ষেত্রেও একই ধরনের অবরোধ কৌশল ব্যবহার করেছিল যুক্তরাষ্ট্র।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ইসলামাবাদ আলোচনা কোনো ঐকমত্য ছাড়াই শেষ হওয়ায় ট্রাম্প প্রশাসন এখন কঠোর পথ বেছে নিতে চাইছে। ট্রাম্পের এই শেয়ার করা বার্তাটি বিশ্ব রাজনীতিতে ইরানের জন্য একটি পরোক্ষ হুঁশিয়ারি হিসেবে দেখা হচ্ছে, যা বৈশ্বিক তেল বাজার ও বাণিজ্যিক স্থিতিশীলতার ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে।