প্রকাশ: বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬, ৯:১৮ পিএম (ভিজিট : ১৭৪)

X
রাণীশংকৈল উপজেলা প্রশাসনের ব্যতিক্রমী সিদ্ধান্ত
উপজেলা প্রশাসনের সিদ্বান্তে উপজেলার ৮টি ইউনিয়ন ও পৌরসভায় তেল বিতরণ করবেন ইউনিয়ন ভিত্তিক। তেল নিয়ে বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে এবার ঠাকুরগাঁও রাণীশংকৈল উপজেলা প্রশাসন নিয়েছে ব্যতিক্রম এক সিদ্ধান্ত।
সপ্তাহে দুই দিন শুক্রবার ও মঙ্গলবার। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফুয়েল কার্ডের পাশাপাশি এলাকার বাসিন্দা শনাক্তে আইডি কার্ড প্রদর্শন করতে হবে। বুধবার উপজেলা পরিষদ হলরুমে এক সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেয় উপজেলা প্রশাসন। ওই সভা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাদিজা বেগমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়।
উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আল্লাামা আল ওয়াদুদ বিন নুর আলিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক এম আর বকুল মজুমদার পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মহসিন আলী উপজেলা জাময়াতে ইসলামীর আমির উপাধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ ৯টি তেল পাম্পের মালিক পক্ষের লোকজন উপস্থিত ছিলেন।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্বান্ত নেওয়া হয় যে, দুটি ইউনিয়ন ধর্মগড়-কাশিপুর এলাকার পক্ষে লিখিত আবেদন ও স্থানীয়দের দাবীর প্রতি সন্মান রেখে এবং তেল বিতরণ বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে উপজেলার ৯ এলাকার ৯টি তেল পাম্প বিভিন্ন ইউনিয়নে বিভাজন করা হয়।
রাণীশংকৈল পৌর শহরের জুই ফিলিং ষ্টেশন ও মেসার্স রফিক অয়েল রাণীশংকৈল পৌরসভা ও নন্দুয়ার ইউনিয়নের সন্ধারই অংশ। মেসার্স নুরজামান ফিলিং ষ্টেশন নন্দুয়ার ও হোসেনগাঁও ইউনিয়ন। নুর জাহান ফিলিং ষ্টেশন হোসেনগাঁও ইউয়িনের আংশিক ও হরিপুর উপজেলা। ভাই ভাই ফিলিং ষ্টেশন নেকমরদের ৫টি ওয়ার্ড ও রাতোর ইউনিয়ন। ভাই ভাই ফিলিং ষ্টেশন নেকমরদের তিনটি ওয়ার্ড ও প্রশাসনের গাড়ী। স্বপন ফিলিং ষ্টেশন ধর্মগড় ও কাশিপুর ইউনিয়ন। আব্দুর রহিম ফিলিং ষ্টেশন লেহেম্বা ইউনিয়ন। চেয়ারম্যান ফিলিং ষ্টেশন বাচোর ইউনিয়ন। রফিক ফিলিং ষ্টেশন চাকুরীজীবি, প্রশাসন, পৌরসভার আংশিক ও লেহেম্বা ইউনিয়নের আংশিক। ঠিক এভাবেই তেল বিতরণে বিভাজন করেছে উপজেলা প্রশাসন।
রাণীশংকৈল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মিজ খাদিজা বেগম বলেন, এ উপজেলায় পূর্বের চাহিদার তুলনায় তেল বেশি সরবারহ হচ্ছে। তারপরেও তেল সংকট কেন? ধারণা করা হচ্ছে বিশৃঙ্খলার সুযোগে তেল পাচার করা হচ্ছে। সব কিছু বিবেচনা করে। উপজেলার ৯টি তেল পাম্প এলাকা কেন্দ্রিক সুনিদিষ্ট ফুর্মলায় বিভাজন করা হয়েছে। এটি বাস্তবায়ন হলে বিশৃঙ্খলা এড়ানোসহ তেলের সঠিক ব্যবহার করা সম্ভব হতে পারে। এছাড়া নিয়মনুযায়ী জেলার মধ্যে যে কোন উপজেলার মানুষ ফুয়েল কার্ড প্রদর্শন পূর্বক তেল নিতে পারবেন।