প্রকাশ: সোমবার, ১৮ মে, ২০২৬, ৫:৩৩ পিএম আপডেট: ১৮.০৫.২০২৬ ৫:৪৯ পিএম (ভিজিট : ৭০)

X
বিরল রোগে আক্রান্ত মিম, বাঁচার আশায় আকুতি ও সাহায্য প্রার্থনা
উম্মে হাবিবা মিম রাজশাহী চারঘাট পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের কুঠিপাড়া গ্রামের হাবিলের ছোট মেয়ে। সে নবম শ্রেনীর ছাত্রী। বেশ কয়েকমাস পূর্বে ভুক্তভোগী সড়ক দূর্ঘটনার শিকার হন। তারপর থেকেই, হঠাৎ করেই মিমের চোখ, কান, নাক এবং নাভি দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়। বাঁচার আশায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে সাহায্য প্রার্থনা করেছেন।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। ফেসবুক সূত্র ধরে মিমের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়, বিরল রোগে আকান্ত মিম এর পারিবরিক অর্থনৈতিক অবস্থা তেমন ভালো নয়। যার কারনে চিকিৎসার খরচ তাদের পক্ষে বহন করা সম্ভব নয়। এই পরিবার বাঁচার তাগিদে ফেসবুকে একটি ভিডিও পোষ্ট করে। বাঁচার আকুতি জানিয়ে সকলের নিকট সাহায্য আবেদন করেন।
পরিবারের সাথে কথা বলে জানা যায়, মিমের বাবা একজন মটর ম্যাকানিক। তিনি ঢাকায় একটি মটর গ্যারেজে কাজ করে। তার ওই সামন্য আয় দিয়ে পরিবার ও তার মেয়ের চিবিৎসার ব্যয় করা সম্ভব না। মিমের বাবা হাবিবুর রহমান ওরুফে হাবিল মুঠোফোনে বলেন, তার একমাত্র ভরাসা “আল্লাহ”। তার আত্মিয় স্বজনদের আর্থিক অবস্থাও ভালো না। আমার এক মেয়ে ও এক ছেলে। ছেলে এবার এইচএসসি পরীক্ষা দিবে। ভুক্তভোগীর “মা” শুধু কান্নায় ও চোখের অশ্রু বুক ফেটে কান্নায় বলেন, সকলের সহযোগিতা পেলে আমার সন্তান পৃথিবিতে বাঁচতে পাড়বে। ঢাকা বারডেন হাসপাতাল, ডেলটা মিরপুর, ঢাকা মেডিকেল কলেজ ও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ চিকিৎসা করেও নিশ্চিত রোগ চিহ্নিত করতে পারে নি বলছেন তার মা মুন্নি। প্রতিমাসে দুইবার করে তার নাক কান চোখ দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়।
পরিবারের পক্ষ থেকে স্থানীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক ও বৃত্তবানদের নিকট গেলেও কোন সাহায্য তারা পায়নি বলে জানান। পরিশেষে তারা চারঘাট উপজেলা সমাজসেবা অফিসার এর নিকট আর্থিক সহযোগিতার প্রার্থনা করেন। কিন্ত সরকারী নিয়মনীতির কারনে তারা সরকারী অনুদান পাওয়ার ক্যাটাগরিতে পড়ছে না।
এবিষয়ে উপজেলা সমাজসেবা অফিসার রাশেদ্দুজ্জামান বলেন, সরকারী অনুদান প্রাপ্তির জন্য নিয়ম নীতির মধ্যে থাকতে হয়। তার রোগের চিকিৎসা বা চিকিৎসকদের পরামর্শ লিখিত কোন তথ্য নেই। তার পরিবার সাহায্যের আবেদন নিয়ে এসেছিল কিন্ত সরকারী অনুদান ক্যাটাগরিতে তাকে সহযোগিতা করা যাচ্ছে না। যোগাযোগের ঠিকানা ও বিকাশ নং- ০১৭২২ ৯৭৭১৬০