ময়মনসিংহের লোকজ ঐতিহ্যে সাজলো ভালুকা পৌরসভার সীমানা প্রাচীর

ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

বৃহত্তর ময়মনসিংহের লোকজ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অন্যতম অমূল্য সম্পদ “মৈমনসিংহ-গীতিকা”র চিরন্তন প্রেম, বেদনা ও গ্রামীণ জীবনের নানা চিত্র

2026-05-25T12:34:07+00:00
2026-05-25T12:34:07+00:00
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬ ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬
   
ময়মনসিংহের লোকজ ঐতিহ্যে সাজলো ভালুকা পৌরসভার সীমানা প্রাচীর
ভালুকা (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬, ১২:৩৪ পিএম   (ভিজিট : ২৪২)
বৃহত্তর ময়মনসিংহের লোকজ ঐতিহ্যে সাজলো ভালুকা পৌরসভার সীমানা প্রাচীর
X

বৃহত্তর ময়মনসিংহের লোকজ ঐতিহ্যে সাজলো ভালুকা পৌরসভার সীমানা প্রাচীর

বৃহত্তর ময়মনসিংহের লোকজ ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির অন্যতম অমূল্য সম্পদ “মৈমনসিংহ-গীতিকা”র চিরন্তন প্রেম, বেদনা ও গ্রামীণ জীবনের নানা চিত্র এবার স্থান পেয়েছে ভালুকা পৌরসভার সীমানা প্রাচীরে। 


পৌর প্রশাসকের উদ্যোগে প্রাচীরজুড়ে মৈমনসিংহ-গীতিকার বিখ্যাত পালাগানের চরণ লিখে এক ব্যতিক্রমী নান্দনিক পরিবেশ সৃষ্টি করা হয়েছে। আর এমন উদ্যোগে প্রশংসায় ভাসছেন ভালুকা পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইকবাল হোসাইন।


সম্প্রতি পৌর সভার নির্মিত সীমানা প্রাচীরে “মহুয়া”, “মালুয়া”, “দেওয়ান ভাবনা”, “চন্দ্রাবতী”সহ মৈমনসিংহ-গীতিকার বিভিন্ন পালা থেকে নেয়া হৃদয়ছোঁয়া পঙক্তি স্থান পেয়েছে। লাল রঙের প্রাচীরের ওপর সাদা ও হলুদ অক্ষরে লেখা এসব চরণ পথচারীদের দৃষ্টি কাড়ছে প্রতিনিয়ত। প্রাচীরে লেখা রয়েছে-

“থাকিয়া কেঁনারাম তাদের সহিত, অল্পেতে হইল এক মস্ত ডাকাত”

এছাড়াও প্রেম, বিরহ ও গ্রামীণ জীবনের নানা আবেগঘন অংশ ফুটে উঠেছে দেয়ালের লেখাগুলোতে। 


স্থানীয়দের মতে, এটি শুধু সৌন্দর্যবর্ধনই নয়, নতুন প্রজন্মকে নিজেদের শেকড় ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেয়ার এক অসাধারণ উদ্যোগ।


ভালুকা পৌর প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ ইকবাল হোসাইন বলেন,“মৈমনসিংহ-গীতিকা আমাদের অঞ্চলের গর্ব। নতুন প্রজন্ম যেন নিজেদের সাহিত্য ও সংস্কৃতিকে জানতে পারে, সেই চিন্তা থেকেই পৌরসভার সীমানা প্রাচীরে গীতিকার অংশগুলো তুলে ধরা হয়েছে। আমরা চাই ভালুকা শুধু উন্নয়নের নয়, সংস্কৃতিচর্চার ক্ষেত্রেও উদাহরণ হয়ে উঠুক।”


পৌর এলাকার বাসিন্দা শিক্ষক মোঃ শফিকুল ইসলাম শফিক বলেন,“এমন উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়। আগে দেয়ালগুলো ছিল সাধারণ ও অনাকর্ষণীয়। এখন এগুলো দেখে মানুষ থেমে পড়ছে, পড়ছে, ছবি তুলছে। এতে আমাদের ঐতিহ্য নতুনভাবে জীবন্ত হয়ে উঠেছে।”


কলেজ শিক্ষার্থী সোমাইয়া খাতুন বলেন, “মৈমনসিংহ-গীতিকার অনেক নাম বইয়ে পড়েছি, কিন্তু এভাবে দেয়ালে দেখে আগ্রহ বেড়ে গেছে। এটা তরুণদের জন্য খুবই ভালো উদ্যোগ।”


স্থানীয় সংস্কৃতিপ্রেমীদের মতে, ভালুকা পৌরসভার এই উদ্যোগ একদিকে যেমন নগর সৌন্দর্য বৃদ্ধি করেছে, অন্যদিকে তেমনি বৃহত্তর ময়মনসিংহের হাজার বছরের লোকজ সাহিত্যকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার একটি সৃজনশীল প্রয়াস হিসেবে ইতোমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।






Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy