
X
সংগৃহীত ছবি
হবিগঞ্জ-৪ (মাধবপুর-চুনারুঘাট) আসনের সংসদ সদস্য সৈয়দ মোঃ ফয়সল বলেছেন, “যতই সমস্যা থাকুক, তা সমাধান করার সাহস ও সক্ষমতা আমার আছে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়েছি মানুষের সেবা করার জন্য। আমি কথায় নয়, কাজে বিশ্বাসী। মানুষের পাশে থাকতে পারলেই আমি শান্তি পাই।”
মঙ্গলবার (২৬ মে) বিকেলে চুনারুঘাট উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন-এ প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ ও কল্যাণ তহবিল থেকে সরকারি অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, “জনগণ আমাকে ভোট দিয়ে সম্মানিত করেছেন। তাই আমার দায়িত্বও অনেক বেশি। আমার দরজা সবসময় সাধারণ মানুষের জন্য খোলা। আমার কাছে আসতে কোনো তদবির বা মাধ্যমের প্রয়োজন হয় না। মানুষের সমস্যা শুনে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করি।”
সংসদ সদস্য আরও বলেন, মাধবপুর ও চুনারুঘাটের সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সমন্বয়ে উন্নয়ন কমিটি গঠন করা হয়েছে। এলাকার চাহিদা ও গুরুত্ব বিবেচনায়০ উন্নয়ন প্রকল্পের প্রস্তাব দিতে তিনি নেতাকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, “পর্যায়ক্রমে সব এলাকার উন্নয়ন করা হবে। সরকারি বরাদ্দ আমি নিজে ভোগ করি না, বরং স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে জনগণের মধ্যে বণ্টন করি। রাস্তা-ঘাট, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক অবকাঠামো উন্নয়নে কাজ চলছে এবং ভবিষ্যতেও চলবে।”
সৈয়দ মোঃ ফয়সল বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই দেশের মানুষের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অল্প সময়ের মধ্যেই জনকল্যাণমূলক নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। আসন্ন জাতীয় বাজেটেও জনগণের জন্য কল্যাণকর পরিকল্পনা থাকবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
তিনি আরও বলেন, “বিগত সরকার দেশের সম্পদ লুটপাট করে রাষ্ট্রীয় ভাণ্ডার শূন্য করে গেছে। সেই কঠিন পরিস্থিতির মধ্যেও বর্তমান সরকার দেশের দায়িত্ব নিয়েছে। তাই অহেতুক সমালোচনা না করে সবাইকে দেশের উন্নয়নে সহযোগিতা করতে হবে। সরকার তার মেয়াদকালে দেশকে উন্নত ও সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, “কেউ জুলুম বা অন্যায় করবেন না। জনগণের সঙ্গে ভালো আচরণ করতে হবে। কোনো ধরনের অপকর্ম বা ক্ষমতার অপব্যবহার দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করে। মানুষের আস্থা অর্জন করতে হলে সততা ও সেবার মানসিকতা নিয়ে কাজ করতে হবে।”
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সহকারী কমিশনার ( ভুমি) তৌফিক আনোয়ার। এ সময় বক্তব্য দেন সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান সৈয়দ নিয়াকত হাসান, সাবেক মেয়র নাজিম উদ্দিন শামসু,উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মীর সিরাজ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মোজাম্মেল হক তালুকদার, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল করিম সরকার, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক শামসুল হক তালুকদার, উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক এডভোকেট মোজাম্মেল হক চৌধুরী,সদস্যসচিব জালাল আহমেদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক শফিক মিয়া, প্রথম যুগ্ন আহ্বায়ক সৈয়দ আবু নাঈম হালিম, উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আরিফুর রহমান আরিফ, যুগ্ন আহ্বায়ক শাহ নেওয়াজসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ।