মুকসুদপুরে অবৈধ মাছ ধরার ৩০০টি দোহার জব্দ, আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস

মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে অবৈধভাবে মাছ শিকারে ব্যবহৃত নিষিদ্ধ উপকরণ ৩০০টি দোহার জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। দেশের

2026-06-21T15:48:48+00:00
2026-06-21T15:48:48+00:00
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬ ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬
   
মুকসুদপুরে অবৈধ মাছ ধরার ৩০০টি দোহার জব্দ, আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস
মুকসুদপুর (গোপালগঞ্জ) প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ২১ জুন, ২০২৬, ৩:৪৮ পিএম   (ভিজিট : ৪৮)
ছবি: প্রতিনিধি
X

ছবি: প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে অবৈধভাবে মাছ শিকারে ব্যবহৃত নিষিদ্ধ উপকরণ ৩০০টি দোহার জব্দ করে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ, দেশীয় মাছের প্রজনন নিশ্চিতকরণ এবং জলাশয়ে অবৈধ মাছ শিকার রোধে পরিচালিত এ অভিযানে বিপুল পরিমাণ নিষিদ্ধ উপকরণ জব্দ করা হয়।

রবিবার (২১ জুন) সকাল ১১টার দিকে মাগুরা জেলা থেকে মুকসুদপুরে আনা এসব দোহার মুকসুদপুর থানার সামনের এলাকা থেকে জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে জব্দকৃত উপকরণগুলো মুকসুদপুর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. আজিজুল ইসলাম-এর কাছে হস্তান্তর করা হয়।

পরে বিষয়টি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আবিরুল ইসলাম-কে অবহিত করা হলে তাঁর নির্দেশনায় জব্দকৃত নিষিদ্ধ দোহারগুলো প্রকাশ্যে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এ সময় সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ধ্বংস করা ৩০০টি দোহারের আনুমানিক বাজার মূল্য ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এসব দোহার দেশের প্রচলিত মৎস্য আইন অনুযায়ী নিষিদ্ধ। কারণ এ ধরনের উপকরণ ব্যবহার করে নির্বিচারে মাছ শিকার করা হয়, যা দেশীয় প্রজাতির মাছের স্বাভাবিক প্রজনন ব্যাহত করে এবং জলজ জীববৈচিত্র্য ও মৎস্যসম্পদের ওপর দীর্ঘমেয়াদি নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

জানা গেছে, জব্দকৃত দোহারগুলোর মালিক মাগুরা জেলার মোহাম্মদপুর উপজেলার মুসা নামের এক ব্যক্তি। তবে অভিযান পরিচালনার সময় তাকে ঘটনাস্থলে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, মালামাল পরিবহনের দায়িত্বে থাকা ভ্যানচালক আব্দুর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলেও তার বিরুদ্ধে কোনো সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

মৎস্য বিভাগ সূত্রে আরও জানা যায়, দেশের মৎস্যসম্পদ রক্ষা, মাছের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করা এবং অবৈধ মাছ শিকার প্রতিরোধে নিয়মিতভাবে এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। ভবিষ্যতেও আইন অমান্য করে নিষিদ্ধ উপকরণ ব্যবহার, পরিবহন বা বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণসহ এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।

মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা মনে করেন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং আইন প্রয়োগের মাধ্যমে নিষিদ্ধ মাছ ধরার সরঞ্জামের ব্যবহার বন্ধ করা সম্ভব হলে দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে এবং দেশের মৎস্যসম্পদ আরও সমৃদ্ধ হবে। ফলে পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষার পাশাপাশি মৎস্য খাতের টেকসই উন্নয়নও নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy