তার বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহার, ঘুষ গ্রহণ এবং প্রশাসনিক নির্দেশনা অমান্যের অভিযোগ তুলে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও বিভাগীয় কমিশনারের দপ্তরে একাধিক লিখিত অভিযোগ জমা পড়েছে বলে জানা গেছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এর সিএ ইছহাক কুতুবিকে গত ২০ এপ্রিল চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে বদলির আদেশ হলেও অদৃশ্য কারণে তিনি এখনো কর্মস্থল ত্যাগ করেননি।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সেবাগ্রহীতা ও সংশ্লিষ্ট মহলে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
অভিযোগকারীদের দাবি, বদলির আদেশ কার্যকর না হওয়ায় প্রশাসনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে এবং সাধারণ মানুষ ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, একই পদে এ ইছহাক ৮ বছর ধরে রয়েছেন৷ যেখান থেকে শক্তিশালী একটি সিন্ডিকেট নেটওয়ার্ক তৈরী করেছেন৷ যার কারনে তার বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন অনিয়ম ও ঘুষ বাণিজ্যের অভিযোগ রয়েছে। তবে তার প্রভাবশালী অবস্থানের কারণে কেউ প্রকাশ্যে মুখ খুলতে সাহস পান না।
কর্মস্থল ত্যাগ না করতে জেলা প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে তদবিরের জন্য প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের দারস্থ ও হচ্ছেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এমনকি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও বিষয়টি নিয়ে বিব্রত ও অসহায় অবস্থায় রয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
অভিযোগের অনুলিপি জেলা প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে। অভিযোগকারীরা দ্রুত তদন্ত করে বদলির আদেশ বাস্তবায়ন এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে একাধিকবার ইছহাকের ব্যক্তিগত নাম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও কল রিসিভ না করায় তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসকেরর কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি অবগত হয়েছি, ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন৷