বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ রোবেলের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি সিন্ডিকেট সভায় উপস্থাপন করা হয়। পরে সিন্ডিকেট দিবসটি ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বার্ষিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্তির অনুমোদন দেয়।
আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর সংঘটিত হামলা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সূচনাপর্বের একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা হিসেবে বিবেচিত। ওই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বহু শিক্ষার্থী আহত হন এবং একজন সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করেন। শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগ, সাহসিকতা ও প্রতিরোধের স্মৃতি সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের ইতিহাস তুলে ধরার লক্ষ্যে দিনটিকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতির আবেদন করা হয়।
এ বিষয়ে আবেদনকারী সাবেক কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক মোহাম্মদ রোবেল বলেন, “জুলাই গণঅভ্যুত্থানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সাহসিকতার সঙ্গে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। তাদের আত্মত্যাগকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্মরণীয় করে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আবেদন করেছিলাম। সিন্ডিকেটে বিষয়টি অনুমোদিত হওয়ায় মাননীয় উপাচার্য, ট্রেজারার এবং সিন্ডিকেটের সকল সদস্যের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। আমার বিশ্বাস, ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে ১১ জুলাইয়ের স্বীকৃতি ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগ, সাহসিকতা ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অবদান সম্পর্কে জানতে উদ্বুদ্ধ করবে।”
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রতি বছর ১১ জুলাই ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে পালিত হবে এবং দিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক বার্ষিক ক্যালেন্ডারেও স্থান পাবে।