তিস্তার প্লাবিত পানিতে নিম্নাঞ্চলের ৮ হাজার পরিবার পানিবন্দী

সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

ভারী বৃষ্টি ও ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ায় তিস্তার পানি কখনও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে আবার কখনও

2026-06-30T19:21:50+00:00
2026-06-30T19:21:50+00:00
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬ ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩
সোমবার ১০ আগস্ট ২০২৬
   
তিস্তার প্লাবিত পানিতে নিম্নাঞ্চলের ৮ হাজার পরিবার পানিবন্দী
সৈয়দপুর (নীলফামারী) প্রতিনিধি
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬, ৭:২১ পিএম   (ভিজিট : ৩৯)
৮ হাজার পরিবার পানিবন্দী
X

৮ হাজার পরিবার পানিবন্দী

ভারী বৃষ্টি ও ভারতের গজলডোবা ব্যারাজের সব গেট খুলে দেওয়ায় তিস্তার পানি কখনও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে আবার কখনও নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানির তোড়ে তিস্তা নদী তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের প্রায় ৮ হাজার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।

সোমবার (২৯ জুন) বিকেলে ডালিয়া কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিশ্চিত করে সংবাদকর্মীদের জানিয়েছে, রোববার বিকেলে ভারত গজলডোবা ব্যারাজের ৪০টি গেট খুলে দেওয়ার পর তিস্তার পানি কখনও বিপৎসীমার ওপর দিয়ে আবার কখনও নিচে দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

রংপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের রংপুরের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আহসান হাবিব সংবাদকর্মীদের জানিয়েছেন, পানিবন্দী হয়ে পড়েছে উত্তরের ৫ জেলা রংপুর, লালমনিরহাট, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধায় চরাঞ্চলের অন্তত ৮ হাজার পরিবার। তিনি জানান, ভারত গজলডোবা ব্যারেজের ৪০টি গেট খুলে দেয়ায় এ বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। রোববার বিকেলের দিকে ভারত গজলডোবা গেটগুলো খুলে দেয়। ফলে রাত ১১টা পর্যন্ত পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের এই কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পানি বাড়ার সাথে-সাথে উত্তরের ৫ জেলায় দেখা দিয়েছে ভাঙন। গত ২৪ ঘণ্টায় এই ৫ জেলার ২৬টি  ঘর-বাড়ি নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে। ইতোমধ্যে তিস্তার পানি বাড়ায় রংপুরের গঙ্গাচড়া, কাউনিয়া ও পীরগাছার বিস্তীর্ণ চরাঞ্চলের কৃষিজমি পানিতে তলিয়ে গেছে। এতে বিভিন্ন ফসলের ক্ষতির আশঙ্কায় উদ্বিগ্ন কৃষকরা। রাতে পানি বাড়লেও সকালের দিকে কমতে শুরু করে। আবার বিকেল থেকে পানি বাড়ছে। এরইমধ্যে নিম্নাঞ্চলের অনেক এলাকায় পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অনেক পরিবার।

ফলে পাহাড়ি ঢলের পানিতে ঘর-বাড়িতে পানি ওঠায় গবাদিপশু ও সন্তানদের নিয়ে চরম দুর্ভোগে আছেন চরাঞ্চলের মানুষজন। চরাঞ্চল এলাকার ভুক্তভোগী অনেক মানুষজন জানান, তিস্তার একটা সমাধান দরকার। বছরে কয়েকবার করে এমন কষ্টের মধ্যে পড়তে হয়। এভাবে বেঁচে থাকা কষ্টকর। এদিকে পানিবন্দি মানুষজন পরিবার-পরিজন, গবাদিপশুসহ মানবেতর অবস্থায় থাকায় সরকারি সহায়তার অপেক্ষায় রয়েছেন। 

ডালিয়া পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরী সংবাদকর্মীদেরকে জানান, তিস্তার পানি কখনো বিপৎসীমার ওপরে আবার কখনো নিচে প্রবাহিত হচ্ছে। টানা বর্ষণ ও উজানের ঢল অব্যাহত থাকার কারণে চরাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।







Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy