প্রকাশ: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ১২:৩৩ পিএম (ভিজিট : ৫৪)

X
সংগৃহীত ছবি
ককরোচ জনতা পার্টির তীব্র আন্দোলনের জেরে গত কয়েকদিন ধরেই জোর জল্পনা চলছে, শিগগিরই মোদি মন্ত্রিসভায় বড় ধরনের রদবদল হতে পারে। সম্ভাব্য এই পরিবর্তন আগামী মাসের শুরুতেই কার্যকর হতে পারে বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে।
সবচেয়ে বেশি চর্চায় রয়েছে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের নাম। নিট (NEET) পরীক্ষার বিতর্ককে ঘিরে তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেওয়া হতে পারে বলে গুঞ্জন ছড়িয়েছে। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হিসেবে বর্তমান অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণকে শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে বলেও দাবি করা হচ্ছে।
অন্যদিকে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেতে পারেন পীযূষ গোয়েল। তবে এসব বিষয়ে এখনো সরকার বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও একাধিক সূত্রের বরাতে এমন দাবি সামনে এলেও এর কোনো সরকারি নিশ্চিতকরণ নেই। এছাড়াও মন্ত্রিসভার আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে পরিবর্তন আসতে পারে বলেও জল্পনা চলছে।
নরেন্দ্র মোদি তৃতীয় মেয়াদের দু’বছর পূর্ণ করেছেন। বিজেপির অতীতের রীতি বলছে, মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দু’বছর পর মন্ত্রিসভায় রদবদল হয়। তাছাড়া নীতীন নবীন বিজেপির সভাপতি হওয়ার পর পাঁচমাস কেটে গেলেও তাঁর নতুন ‘টিম’ তৈরি হয়নি।
বিজেপি সূত্র বলছে, এবার মন্ত্রিসভার রদবদল এবং বিজেপির সাংগঠনিক রদবদল দুটো হবে একে অপরের সঙ্গে সাযুজ্য বজায় রেখে। অর্থাৎ মন্ত্রিসভা থেকে কিছু মুখ আসবেন সংগঠনে। আবার মন্ত্রিসভায় কিছু নতুন মুখকে সুযোগ দেওয়া হবে। কিছু পুরনো নেতাকে ছুটিও দিয়ে দেওয়া হতে পারে।
ধর্মেন্দ্রর শিক্ষামন্ত্রীর পদ হারানোর পাশাপাশি আরও যেসব নাম ভেসে আসছে তাঁদের মধ্যে রয়েছে নীতীন গড়করির নাম। তাঁকে পরিবহণ মন্ত্রীর পদ থেকে সরানো হতে পারে। পাশাপাশি শোনা যাচ্ছে, আপ থেকে পদ্ম শিবিরে যোগ দেওয়া রাঘব চাড্ডা, প্রাক্তন আরবিআই শক্তিকান্ত দাসকে মন্ত্রীসভায় যুক্ত করা হতে পারে।
বিহারের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারকেও দেওয়া হতে পারে বড় দায়িত্ব। সেই সঙ্গেই অনুরাগ ঠাকুরও নতুন মন্ত্রক পেতে পারে পারেন বলে গুঞ্জন। তবে, বলে রাখা ভালো, এই ধরনের গুঞ্জন সংক্রান্ত কোনও প্রতিক্রিয়া মোদি সরকারের তরফে এখনও পাওয়া যায়নি। কবে নতুন মন্ত্রিসভা বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে তাও এখনও জানা যায়নি।