প্রকাশ: বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬, ৬:৩৬ পিএম (ভিজিট : ১৮)

X
সংগৃহীত ছবি
দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে চিঠি চালাচালি, অনুমোদন জটিলতা ও সমন্বয় সংকটের কারণে আটকে থাকা শহীদ ওয়াসিম আকরাম উড়াল সড়কের আগ্রাবাদ র্যাম্প নির্মাণকাজ অবশেষে শুরু হয়েছে।
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেনের সমন্বয়মূলক উদ্যোগে সংশ্লিষ্ট সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতার সমাধান হওয়ায় এই জনগুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পের কাজ শুরু করার পথ সুগম হয়েছে।
শহীদ ওয়াসিম আকরাম উড়াল সড়ক লালখান বাজার থেকে শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর পর্যন্ত যান চলাচলের জন্য চালু হলেও প্রয়োজনীয় র্যাম্প নির্মাণ না হওয়ায় নগরবাসী উড়াল সড়কটির পূর্ণাঙ্গ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছিলেন।
প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, শুরুতে উড়াল সড়কের জন্য ১৫টি র্যাম্প নির্মাণের পরিকল্পনা থাকলেও আপাতত ৬টি র্যাম্প স্থগিত রেখে ৯টি র্যাম্প নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এর মধ্যে ৭টি র্যাম্পের নির্মাণকাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে পৌঁছেছে। তবে আগ্রাবাদ র্যাম্পটি বাংলাদেশ বেতার, জীবন বীমা কর্পোরেশন, যমুনা অয়েল কোম্পানিসহ বিভিন্ন সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের স্থাপনা ও ভূমির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট হওয়ায় ভূমি অধিগ্রহণ, অনুমোদন এবং বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে দীর্ঘ চিঠি চালাচালির কারণে বছরের পর বছর কাজ শুরু করা সম্ভব হচ্ছিল না।
দায়িত্ব গ্রহণের পর সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন যে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত সম্পন্ন করার ঘোষণা দেন, শহীদ ওয়াসিম আকরাম উড়াল সড়ক প্রকল্প তার অন্যতম। তিনি প্রকল্পটির অবশিষ্ট কাজ চলতি বছরের নভেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করে ডিসেম্বর মাসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মাধ্যমে উদ্বোধনের লক্ষ্যের কথা জানান।
দায়িত্ব গ্রহণের পরদিনই তিনি প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে আগ্রাবাদ র্যাম্প নির্মাণে সৃষ্ট জটিলতা সরেজমিনে পর্যালোচনা করেন। পরে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের প্রধান, মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীসহ বিভিন্ন পর্যায়ে ধারাবাহিক যোগাযোগ ও সমন্বয়ের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জট নিরসনের উদ্যোগ নেন। সেই উদ্যোগের ফলেই বর্তমানে প্রকল্পস্থলে র্যাম্প নির্মাণকাজ শুরু হয়েছে।
এ বিষয়ে সিডিএ চেয়ারম্যান প্রকৌশলী বেলায়েত হোসেন বলেন, "শহীদ ওয়াসিম আকরাম উড়াল সড়কের পূর্ণ সুফল নগরবাসীর কাছে পৌঁছে দিতে আগ্রাবাদ র্যাম্প নির্মাণ অত্যন্ত জরুরি। র্যাম্প নির্মাণে যে প্রশাসনিক ও দাপ্তরিক জটিলতা ছিল, তা সংশ্লিষ্ট সকল দপ্তরের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আমরা চাই নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই প্রকল্পের সব কাজ সম্পন্ন করে নগরবাসীর জন্য উন্মুক্ত করতে।"