
X
ছবি: প্রতিনিধি
গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) সভাপতি, সাবেক ডাকসু ভিপি এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী মো. নুরুল হক নূর বলেছেন, “কোটা সংস্কার আন্দোলনের ধারাবাহিকতাতেই পরবর্তীতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সূত্রপাত হয়। সেই আন্দোলন ২০২৪ সালের গণআন্দোলনে রূপ নেয় এবং এর ধারাবাহিকতায় বর্তমান বাংলাদেশের বাস্তবতা সৃষ্টি হয়েছে।”
শুক্রবার (৩ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৫টায় পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা অডিটোরিয়ামে গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) দুমকি উপজেলা শাখার আয়োজনে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, শিক্ষক ও সর্বস্তরের জনগণের সঙ্গে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
নুরুল হক নূর বলেন, আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষের আত্মত্যাগ দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। গণতন্ত্র, সুশাসন, ন্যায়বিচার ও মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, জনগণের ন্যায্য অধিকার আদায়ে গণঅধিকার পরিষদ ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও সেই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন গণঅধিকার পরিষদের উচ্চতর পরিষদের সদস্য কৃষিবিদ মো. শহিদুল ইসলাম ফাহিম।
গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) দুমকি উপজেলা শাখার সভাপতি মো. মুন্না ফরাজীর সভাপতিত্বে এবং সদস্য সচিব মো. নাসির উদ্দিন জুয়েলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় আরও বক্তব্য দেন উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি অধ্যক্ষ বাহাউদ্দীন বাহার, প্রেসক্লাব দুমকির সভাপতি অধ্যক্ষ মো. জসিম উদ্দিন সুমন, বেসরকারি স্কুল-কলেজ শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ মো. জামাল হোসেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা সোহরাব শরীফ এবং জলিশা প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. সোহেল খান।
মতবিনিময় সভায় স্থানীয় বিভিন্ন সমস্যা, গণতন্ত্র, জনগণের অধিকার, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং সমসাময়িক জাতীয় ইস্যু নিয়ে আলোচনা করা হয়। বক্তারা জনসম্পৃক্ত রাজনীতি গড়ে তোলা এবং সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় উপজেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শিক্ষক, সাংবাদিক, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।