প্রকাশ: বুধবার, ৮ জুলাই, ২০২৬, ৩:১৬ পিএম (ভিজিট : ৩৭)

X
ছবি: প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জের ছয়টি উপজেলা হাওর অধ্যুষিত এলাকা। আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, আরও দুই দিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকতে পারে। গত দুই দিনে ৪৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।
বাজিতপুর উপজেলার তিনটি ইউনিয়নের নদীপাড়ে হাজার হাজার মানুষ বসবাস করেন। এর মধ্যে আছানপুর, শিবপুর, বোয়ালী, মাইজচর ইউনিয়নের বাহেরবালী, আয়নারগোপ, মাইজচর, পুরাকান্দা এবং বলিয়ারদী ইউনিয়নের নতুন শাহপুর গ্রাম নদীভাঙনের কবলে পড়েছে।
এসব এলাকার নদীপাড়ের জেলে সম্প্রদায়সহ নিম্নআয়ের মানুষ গত ৩০ বছরে প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ পরিবার বসতভিটা হারিয়েছে। অনেকেই নিজেদের পেশা ছেড়ে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সিএনজি চালক, রিকশাচালক, শ্রমিক ও অন্যান্য পেশায় জীবিকা নির্বাহ করছেন।
এদিকে নিকলী উপজেলার ছাতিরচর, শিংপুরসহ আশপাশের গ্রামে সরকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণ করলেও তা ধীরে ধীরে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। এছাড়া কুলিয়ারচর উপজেলারও বেশ কয়েকটি গ্রাম নদীভাঙনের শিকার হচ্ছে।
অন্যদিকে অতিরিক্ত বৃষ্টির কারণে বাজিতপুর পৌরসভার বিভিন্ন সড়ক ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। উপজেলা প্রশাসন ইট ও সুরকি দিয়ে সংস্কারের উদ্যোগ নিলেও টানা বৃষ্টির পানিতে সড়কগুলো আবারও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, এসব উপজেলার সদরসহ বিভিন্ন গ্রামে অপরিকল্পিতভাবে বসতবাড়ি নির্মাণের কারণে পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ চরম ভোগান্তির মধ্যে পড়েছেন।
বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন বলেন, বৃষ্টি কমে গেলে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলোর সংস্কার ও উন্নয়নের কাজ দ্রুত শুরু করা হবে।