প্রকাশ: শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬, ৩:৪৯ পিএম (ভিজিট : ২৭)

X
ছবি: প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জের ৬টি উপজেলা হাওর অধ্যুষিত। আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, আরও তিন দিন বৃষ্টি অব্যাহত থাকবে। গত তিন দিনে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার।
বাজিতপুর উপজেলার ৩টি ইউনিয়নের নদীপাড়ে হাজার হাজার মানুষ বসবাস করেন। এর মধ্যে আছানপুর, শিবপুর, বয়ালী, মাইজচর ইউনিয়নের বাহেরবালী, আয়নারগোপ, মাইজচর, পুরাকান্দা ও বলিয়ার্দী ইউনিয়নের শাহপুর গ্রামগুলো নদীভাঙনের কবলে পড়ছে।
এসব এলাকার নদীপাড়ের জেলে সম্প্রদায় থেকে শুরু করে নিম্ন আয়ের মানুষ গত ৩০ বছরে প্রায় ৫০০ থেকে ৬০০ পরিবার ভিটেমাটি হারিয়ে নিজস্ব পেশা ছেড়ে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় অঞ্চলে সিএনজি চালক, রিকশাচালক, শ্রমিক ও অন্যান্য পেশায় পরিবার-পরিজন নিয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন।
এ ছাড়া পৌর শহরের রাবারকান্দি থেকে শাহপুর পর্যন্ত সড়ক ভেঙে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। এর মধ্যে রাবারকান্দি-হাসপাতাল সড়কের অবস্থা সবচেয়ে বেহাল। সামান্য বৃষ্টি হলেই হাঁটুসমান পানি জমে যায়। পৌর প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের এদিকে কোনো নজর নেই বলে অভিযোগ রয়েছে।
এদিকে নিকলী উপজেলার ছাতিরচর, সিংপুরসহ আশপাশের গ্রামগুলোতে সরকার পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে প্রতিরক্ষা দেয়াল নির্মাণ করলেও তা ধীরে ধীরে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বলে এলাকাবাসীর অভিযোগ। এ ছাড়া কুলিয়ারচর উপজেলারও একাধিক গ্রাম নদীভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।
জানা যায়, এসব উপজেলার সদরসহ বিভিন্ন গ্রামে অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর নির্মাণের কারণে পানি জমে সাধারণ মানুষ জলাবদ্ধতার মতো দুর্ভোগে পড়েছেন। এতে এলাকাজুড়ে ভোগান্তির সৃষ্টি হয়েছে।
বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জালাল উদ্দিন বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মীকে বলেন, ‘বৃষ্টির প্রকোপ কমলে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কগুলোর উন্নয়নকাজ অব্যাহত রাখার চেষ্টা করা হবে।’