প্রকাশ: রোববার, ১২ জুলাই, ২০২৬, ২:৪৬ পিএম (ভিজিট : ২৮)

X
ছবি: প্রতিনিধি
ঈশ্বরদীস্থ পদ্মা নদীতে মাছ শিকারে এসে সশস্ত্র হামলায় গুরুতর আহত হয়েছে ৪ জেলে। এসময় জেলেদের উদ্দেশ্যে ছোড়া গুলিতে একজন এবং লাঠিসোটা আর ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আরও তিন জেলে আহত হয়েছে।
শনিবার (১১ জুলাই) বিকেলে উপজেলার সাঁড়া ইউনিয়নের মাঝদিয়া ইসলামপাড়াস্থ পদ্মায় এ ঘটনা ঘটে। তবে পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে এ ঘটনায় দায় নিতে অস্বীকার করেছেন ঈশ্বরদী ও লালপুর থানা পুলিশ।
আহত সাইদুর মন্ডল (৬৫) লালপুর থানার তিলকপুর গ্রামের মোহাম্মদ মণ্ডলের ছেলে। সন্ত্রাসীদের ছোঁড়া গুলি তার বুকের ডান পাশে বিদ্ধ হয়েছে। একই উপজেলার সমতউল্লা প্রামাণিকের ছেলে সোহেল রানা (৩৭) তার ছেলে শিশির আহম্মেদ (১৮) এবং মজেল প্রামাণিকের ছেলে মজনুকে পিটিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করেছে।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানাযায়, পদ্মানদীর ঈশ্বরদী সীমানায় ইঞ্জিনচালিত নৌকা যোগে মাছ শিকারে এসেছিলো পার্শ্ববর্তী জেলা নাটোরের লালপুর থানার ১০/১২ জন জেলে। সে সময় তাদের লক্ষ্য করে ২০ /২৫ জনের একটি সশস্ত্র দুর্বৃত্ত দল জেলেদের ওপর ছড়রা গুলিবর্ষণ করে। পরে জেলেদের নৌকা থেকে তীরে তুলে বেধড়ক মারধর শেষে ফেলে রেখে চলে যায়।
এসময় স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে লালপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তিনজন বাড়ি ফিরে গেলেও গুলিবিদ্ধ শিশির আহমেদ এখনও হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।
জানতে চাইলে লক্ষীকুন্ডা নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খোন্দকার শফিকুল ইসলাম বলেন, জেলেরা পদ্মার মাঝদিয়া ইসলাম পাড়া ঘাট এলাকায় মাছ ধরার সময় এ ঘটনা ঘটে। তবে হামলা কারীদের পরিচয় বা হামলার কারণ জানা যায়নি।
লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম জানান, “নদীতে গোলাগুলির খবর পাওয়ার সাথে সাথেই পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে আহতদের খোঁজখবর নিয়েছে। তবে ঘটনাস্থল ঈশ্বরদী থানার আওতাধীন হওয়ায় ঈশ্বরদী থানা পুলিশকেই প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আশাদুর রহমান বলেন, “নদীতে গোলাগুলির খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেছে। ঘটনাস্থলে কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। তাছাড়া সম্ভবত ঘটনাটি ঈশ্বরদী উপজেলার সীমানার মধ্যে নয়, অন্য কোনো এলাকায় হতেপারে।