প্রকাশ: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬, ৪:৩৮ পিএম (ভিজিট : ৩০)

X
ছবি: প্রতিনিধি
গাইবান্ধা পৌরসভার মোট আয়তন ১০.৫৪ বর্গকিলোমিটার। রংপুর বিভাগের ‘ক‘ শ্রেণির এই পৌরসভাটি ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত। রংপুর-পলাশবাড়ি মহাসড়ক হতে ২০ কিলোমিটার পূর্বে গাইবান্ধা পৌরসভা।
১৯২৩ সালে পৌরসভাটি স্থাপিত হলেও তেমন কোনো উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি। জেলার প্রায় সকল মানুষকে শিক্ষা, আইন, ডাক্তার সহ নানা বিষয়ে পরামর্শ ও প্রয়োজনে এখানে আসতে হয়। শহরের কোল ঘেঁষে ঘাঘট নদী।
গাইবান্ধা পৌরসভার ড্রেনেজ ব্যবস্থা হকারদের দখলে এবং পৌর কর্তৃপক্ষের তদারকির অভাবে সামান্য বৃষ্টিতে শহরের রাস্তাঘাট ও আবাসিক এলাকায় পানি জমে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। শহরের আবাসিক এলাকায় সংকুচিত ড্রেনগুলো পলিথিন ও বর্জ্য আটকে থাকায় পানি নিস্কাশনের গতি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় জনগণের দুর্ভোগ হচ্ছে। ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীসহ নানা শ্রেণি পেশার মানুষ।
সরেজমিনে দেখা যায়, শহরের গাইবান্ধা সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মধ্যপাড়া, কাচারী বাজার সান্দারপট্টি, ডিবি রোড, ডিসি অফিস, পুলিশ সুপার কার্যালয়, সিভিল সার্জন কার্যালয়, ডেভিড কোম্পানীপাড়া, মাস্টারপাড়া, পশ্চিমপাড়া, বানিয়ারজান, হাসপাতাল সড়ক, মধ্যপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গাইবান্ধা সরকারি কলেজিয়েট মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে হাঁটু পানি।
ড্রেন আছে কিন্তু পানি কোথায় গিয়ে পড়বে সে ধরণের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় বাড়ছে জনভোগান্তি। প্রতিবছর গাইবান্ধা পৌরসভায় কোটি কোটি টাকা টেন্ডার হয় ড্রেন নির্মাণের জন্য। অথচ জলাবদ্ধতা থেকে মুক্তি পাচ্ছে না শহরবাসী। এর মূল কারণ যত্রতত্র ড্রেন নির্মাণ হচ্ছে কিন্তু পানি গড়িয়ে যাওয়ার আউটস্থল নেই।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কমিশন গাইবান্ধা জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক আকরামুল হক বলেন, গাইবান্ধা পৌরসভার ড্রেন নির্মাণের প্রজেক্ট আসে যেনতেন ড্রেন নির্মাণ করে টাকা খাপিয়ে দেয়া হয়। এতে ঠিকাদার ও সংশ্লিষ্টরা লাভবান হয়। দুর্ভোগ পোহাতে হয় আমাদেরকে।
গাইবান্ধা পৌরসভার নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শরীফুল ইসলাম ডাকুয়া জানান, পৌর শহরের কোনো মাস্টারপ্লান নাই। অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা জলাবদ্ধতার অন্যতম কারণ এর সঙ্গে আমি একমত।