প্রকাশ: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ১:৫৭ পিএম (ভিজিট : ২১)

X
ছবি: প্রতিনিধি
বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) এর পরিচালক (সেবা ও সরবরাহ) ড. মো. মোশাররফ হোসেন মোল্লা বলেন, দেশে বিভিন্ন ধরনের পানিকচুর চাষ হয়ে থাকলেও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এ পর্যন্ত পানিকচুর ৯টি উন্নত জাত উদ্ভাবন করেছে। এসব জাত গলাধরামুক্ত, সমানভাবে ও সহজে সিদ্ধ হয় এবং উচ্চ ফলনশীল।
সম্প্রতি গাজীপুরের তরৎপাড়া এলাকায় অনুষ্ঠিত কন্দাল ফসল গবেষণা জোরদারকরণ প্রকল্পের আওতায় পানিকচুর উন্নত জাতের বিস্তার বিষয়ক এক মাঠ দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির ওই বক্তব্যে ওই কথা বলেন।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আরো বলেন, কচুর লতি বর্তমানে সমাজের সকল স্তরের ভোক্তার কাছে অত্যন্ত সমাদৃত একটি সবজি। দেশে উৎপাদিত মোট কচু ফসলের প্রায় এক-চতুর্থাংশই কচুর লতি। বর্ষা মৌসুমে অন্যান্য সবজির প্রাপ্যতা কমে গেলে কচুর লতি ও অন্যান্য কচুজাতীয় ফসল দেশের সবজির চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শামসুল আলম।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ‘কন্দাল ফসল গবেষণা জোরদারকরণ প্রকল্প’-এর প্রকল্প পরিচালক ড. মো.খোরশেদ আলম।
সভাপতির বক্তব্যে তিনি বলেন, কচু একটি আয়রনসমৃদ্ধ পুষ্টিকর ফসল এবং রক্তশূন্যতা দূরীকরণে কচুর লতির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।
এছাড়াও অনুষ্ঠানে কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ফেরদৌসী বেগমসহ স্থানীয় কৃষক, সম্প্রসারণকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।