প্রকাশ: সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬, ৪:০৫ পিএম আপডেট: ২০.০৭.২০২৬ ৭:৩৮ পিএম (ভিজিট : ৩১৮)

X
ছয়জন নিহত ও আরও ২১ জন আহত
পেরুর পার্বত্য অঞ্চলে জোড়া ভূমিকেম্প অন্তত ছয়জন নিহত ও আরও ২১ জন আহত হয়েছে। পেরুর বেসামরিক প্রতিরক্ষা প্রধান এ তথ্য জানিয়েছেন বলে খবর বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।
দেশটির জাতীয় ভূমিকম্প বিষয়ক কেন্দ্র সামাজিক মাধ্যমে এক্সে এক পোস্টে জানিয়েছে, স্থানীয় সময় শনিবার রাতে হুনিন অঞ্চলের চুপাকা প্রদেশে ৫ দশমিক ১ মাত্রার ও ৩ দশমিক ৭ মাত্রার দুটি ভূমিকম্প হয়। প্রথম ভূমিকম্পটির উৎপত্তি ভূপৃষ্ঠের ২৪ কিলোমিটার আর দ্বিতীয়টি ১৮ কিলোমিটার গভীরে।
ভূমিকম্পের উপকেন্দ্রগুলো রাজধানী লিমা থেকে প্রায় ৩০০ কিলোমিটার পূর্বে। ইউরোপিয়ান-মেডিটেরিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার এর আগে প্রথম ভূমিকম্পটির মাত্রা ৫ দশমিক ৬ বলে জানিয়েছিল।
পেরুর জাতীয় বেসামরিক প্রতিরক্ষা ইনস্টিটিউটের প্রধান লুইস ভাসকেস স্থানীয় রেডিও স্টেশন এক্সিতোসাকে জানান, প্রাথমিক প্রতিবেদনগুলোতে দেখা গেছে যে ৪৮টি বাড়ি ধ্বংস আর ১৮টি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে প্রায় ৩০০ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদেরকে তাঁবু দেওয়া হচ্ছে।
ভাসকেস জানান, ভোরে জরুরি বিভাগের ও দমকলের কর্মীরা অকুলস্থলে পৌঁছেছেন। তারা ধ্বংসস্তূপের আবর্জনা পরিষ্কার করা শুরু করেছেন। আর কেউ যেন এসব আবর্জনার মধ্যে আটকা না পড়েন সে বিষয়ে সতর্ক আছেন তারা।
শক্তিশালী এই কম্পনে ওই অঞ্চলের বেশ কিছু ঐতিহাসিক ধর্মীয় স্থাপনা ও ঐতিহ্যবাহী স্থান মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া ভূমিকম্পের পরপরই বেশ কয়েকটি জেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং উদ্ধারকাজে সহায়তার জন্য উপদ্রুত এলাকাগুলোতে জরুরি উদ্ধারকারী দল মোতায়েন করা হয়েছে। বর্তমানে তারা সেখানে অনুসন্ধান, উদ্ধার তৎপরতা ও ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
পেরু প্যাসিফিক রিং অব ফায়ারের (প্রশান্ত মহাসাগরের আগ্নেয় বলয়) উপর অবস্থিত। প্রশান্ত মহাসাগরের পূর্ব, উত্তর ও পশ্চিম উপকূলজুড়ে ছড়িয়ে থাকা এই আগ্নেয় বলয়টিতে বিশ্বের প্রায় ৮৫ শতাংশ ভূমিকম্পের উৎপত্তি হয়।