প্রকাশ: শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬, ৮:৫৪ পিএম (ভিজিট : ৪৫)

X
বাড়ছে গরু-মহিষ চুরি
লক্ষ্মীপুরে মেঘনা নদীর দুর্গম চরে প্রতি রাতেই ঘটছে গরু-মহিষ চুরির ঘটনা। চোরের দল লক্ষ্মীপুরের গরু-মহিষ নিয়ে যায় ভোলার চরাঞ্চলে, আর ভোলা থেকে আনা হয় লক্ষ্মীপুরের চরাঞ্চলে। এভাবেই চলে আসছে চুরির ‘সিন্ডিকেট’। এতে বাধা দিতে গেলেই চোরের হামলার শিকার হচ্ছে মহিষ পালনকারীরা। আর্থিকভাবে ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছে মালিকপক্ষ।
শুক্রবার (১ আগস্ট) রাতে মেঘনার চরে ভোলা থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকা মূল্যের ৫টি মহিষ চোরের দল নিয়ে আসে। এদিকে বুধবার (২৯ জুলাই) ভোরে একই চরের কয়েকটি মহিষের বাথানে চোরের দল হামলার ঘটনা ঘটায়।
এতে শাহজাহান, জুয়েল, জহির, নবী, নিজাম, কাদির ও রুবেল নামে কয়েকজন আহত হন। তারা লক্ষ্মীপুর, ভোলা ও নোয়াখালীর বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দা। পরে তাদের উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর ও ভোলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার সময় মহিষসহ নগদ টাকা ও মোবাইলফোন নিয়ে যায় দেশীয় অস্ত্রেশস্ত্রে সজ্জিত চোরের দল।
সম্প্রতি চররমনী মোহন ইউনিয়নের বাসিন্দা তোফায়েল আহম্মদের মহিষের বাথান থেকে প্রায় ১০ লাখ টাকা মূল্যের ৫ টি মহিষ চুরি হয়। গেল এক মাস আগে মেঘার চরের মতিন বেপারির ৬ টি মহিষ চুরি হয়। সেগুলোর দামও প্রায় ১০ টাকা মূলের। এছাড়া একই চর থেকে কৃষক শাহীনের একটি ও মজিব উল্যার একটি মহিষ চুরি হয়। ওই আর থেকে মহিষের পাশাপাশি গরুর চুরির ঘটনাও এখন নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে।
লক্ষ্মীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) হোসাইন মোহাম্মদ রায়হান কাজেমী বলেন, মহিষ চুরির ঘটনায় কেউ যদি লিখিত অভিযোগ দেয়, তাহলে আমরা তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেবো। গত সপ্তাহেও এক চোরকে আটক করা হয়েছে। এছাড়া জমির বিরোধেও একজন আরেকজনের গরু-মহিষ নিয়ে যায়। এরপরও ঘটনাগুলো নিয়ে ভোলা ও বরিশাল পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করা হবে।
ভোলা জেলা পুলিশ সুপার মো. শহিদুল্লাহ কাওছার সাংবাদিকদের বলেন, চরে ভোলার অংশে হামলার বিষয়টি আমাদের জানা নেই। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।