প্রকাশ: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ৯:৪৭ এএম (ভিজিট : ২৫)

X
ছবি : প্রতিনিধি
স্ত্রীকে রেখে দীর্ঘদিন মালয়েশিয়া প্রবাসী রফিউদ্দিন । এরই মধ্যে স্ত্রী পরকীয়ায় মজে এক ইতালি প্রবাসীর সাথে। খবর পেয়ে দ্বিতীয় বিয়ে করেন তিনি। বছরখানেক ঘর-সংসার করে আবার প্রথম স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক করে তাকে নিয়ে দিয়েছেন মালয়েশিয়া পাড়ি। এরপর ক্ষুব্ধ হয়ে মাটিকাটা স্কেভেটর দিয়ে রফিউদ্দিনের ঘর-বাড়ি গুড়িয়ে দিয়েছে ২য় স্ত্রীর লোকজন।
ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার (৩ আগষ্ট) চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার খেজুরতলা গ্রামে।
আলমডাঙ্গা থানা পুলিশ জানায়, আলমডাঙ্গা উপজেলার নাগদাহ ইউনিয়নের খেজুরতলা গ্রামের মৃত রোমজান আলির ছেলে রফিউদ্দিন বিবাহ করেন একই গ্রামের সহিদুল ইসলামের মেয়ে ছনিয়া খাতুন কে। দীর্ঘদিন বিদেশে (মালয়েশিয়া) থাকার কারনে ছনিয়া খাতুন এক ইতালি প্রবাসীর সঙ্গে অজানার উদ্দেশ্য পাড়ি জমিয়েছিলেন। শেষ পর্যন্ত থানায় বিচার শালিশের মাধ্যমে নিস্পত্তি হয় এবং ছনিয়া খাতুন ইতালি প্রবাসীর কাছে থেকে যায়। মালোয়েশিয়া প্রবাসী রফিউদ্দিন বাড়ি এসে একই গ্রামের মুকুল হোসেনের মেয়ে রিমা খাতুন কে বিবাহ করেন।
বিবাহের একবছরে মাথায় রফিউদ্দিন আবার প্রথমা স্ত্রী ছনিয়া খাতুন কে পুনরায় বিবাহ করে ঘরে তোলেন এবং তাকে নিয়ে মালয়েশিয়ায় পাড়ি জমান।
এই ঘটনায় গ্রামবাসী থেকে শুরু করে দ্বিতীয় স্ত্রী রিমার খাতুনের পরিবার ও আত্মীয় স্বজনরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।
রবিবার সকাল ১০ টার সময় মাটিকাটা এস্কেভেটর দিয়ে রফিউদ্দিনের বাড়িঘর ভেঙে গুড়িয়ে দেয়। এ সময় ঘরবাড়ি ভাঙার দৃশ্য গ্রামবাসীরা ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখতে থাকেন।
এ বিষয়ে গ্রামের মানুষ রফিউদ্দিনের অসামাজিক কার্যকলাপের প্রতি ঘৃণা পোষন করে। তারা বলেন, মুকুলের মেয়ে অতিভদ্র,নম্র প্রকৃতির মেয়ে। তার জীবনটা এভাবে রফিউদ্দিন শেষ করে দিয়েছে। তার যথাযথ শাস্তি হওয়া উচিত।
নাগদাহ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি বোরহান উদ্দিন মেম্বার বলেন, মুকুল হোসেনের মেয়ে অতিভদ্র ও অমায়িক একটা সভ্য মেয়ে।তার জীবন নিয়ে এভাবে ছিনিমিনি খেলা উচিত হয়নি। ক্ষোভের কারনে এইভাবে ঘরবাড়ি না ভেঙে আইনি পদক্ষেপ নিলে ভাল হতো।
এ ব্যাপারে আলমডাঙ্গা থানা অফিসার ইনচার্জ বানী ইসরায়েল বলেন, ঘটনা সমন্ধে অবগত আছি।অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইন অনুযায়ী ব্যাবস্থা করা হবে।