প্রকাশ: সোমবার, ৩ আগস্ট, ২০২৬, ১০:৫১ এএম (ভিজিট : ২৮)

X
ছবি : প্রতিনিধি
নোয়াখালীর সোনাইমুড়ীতে উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আয়োজনে গণভোটের রায় ও জুলাই সনদ পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন এবং গণহত্যার বিচারের দাবিতে বিশাল গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার (২আগস্ট) বিকাল ৫ টার দিকে এ গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়।
মিছিলটি সোনাইমুড়ী হামিদীয়া কামিল মাদ্রাসার মাঠ থেকে শুরু করে সোনাইমুড়ীর পৌর এলাকার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে বাইপাস চত্বরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়।
সোনাইমুড়ী উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান সাহাব উদ্দিনের সঞ্চালনায় জুলই শহীদদের আত্নার মাগফিরাত কামনা করে সোনাইমুড়ী উপজেলা জামায়াতে আমীর ও ৩ নং চাষীরটাট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হানিফ মোল্লা বলেন, নোয়াখালী জেলায় সব চেয়ে বেশী জুলাই যোদ্ধা আহত হয়েছে এবং সোনাইমুড়ীতে ৬ জন শহীদ হয়েছে। আমরা বলতে চাই, যেই আইনে, যার অধীনে, যার আদেশেই দুটি ভোট হয়েছে। কিন্তু, আপনি ১টি ভোটের রায় কার্যকর করলেন। অথচ, আরেকটা ভোট মানলেননা। আমরা বলতে চাই, যেভাবে ১ টি রায় মেনেছেন, সেভাবে আপনাকে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে। না হলে ৩য় বর্ষ পর্যন্ত সময় পাবেননা।
ছাত্রশিবিরের নোয়াখালী জেলা উত্তর সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, বিগত ২ বছর আগে খুনি হাসিনা বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে নিষিদ্ধ করেছে। এই নিষিদ্ধের ৪ দিনের মাথায় হাসিনা পালাতে বাধ্য হয়েছে। শয়তান আমাদেরক ভয় দেখিয়ে অন্ধকারে পালিয়ে যায়। আমরা দুর্ভাগা জাতী, একাত্তরে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। এই একাত্তরের পরে যিনি বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। ৯ মাস যুদ্ধের সাথে উনার কোনো সম্পৃক্ততা ছিলনা। তাই তিনি ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশে বাকশাল কায়েম করেছে। চব্বিশের বিপ্লবের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার যিনি হয়েছেন, উনার সাথে জুলাই যুদ্ধের কনো সম্পৃক্ততা ছিলনা। যার কারণে তিনি সাহসিকতার সাথে বাংলাদেশে কোনো ভূমিকা রাখতে পারেনাই। উনি গণভোট ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে পারেন নাই। আমরা ওসমান হাদীর খুনের বিচার চাই।
সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, উপজেলা নায়েবে আমির রহিম উল্লাহ বিএসসি, নোয়াখালী জেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারির মাওলানা হিফজুর রহমান, পৌর আমির আবদুল মতিন, সেক্রেটারি ফজলুল হক প্রমুখ।