প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬, ৩:৩৬ পিএম আপডেট: ০৪.০৮.২০২৬ ৩:৪৩ পিএম (ভিজিট : ২৩৪)

X
ছবি: প্রতিনিধি
পাবনার সাঁথিয়ার খলিশাখালি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণির ছাত্রী ছুম্মা খাতুনকে নির্যাতনের অভিযোগে বিদ্যালয়টির সহকারী শিক্ষক হালিমা খাতুনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন অভিভাবক আলম হোসেন।
গত ২৮ জুলাাই সাঁথিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপজেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট এ অভিযোগ দেন তিনি।
লিখিত অভিযোগে আলম হোসেন জানিয়েছেন, গত ১৯ জুলাই খলিশাখালি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক হালিমা খাতুন ক্লাস চলাকালীন সময়ে ৩৭ জন ছাত্র-ছাত্রীকে বাঁশের লাঠি দ্বারা মারাত্মকভাবে প্রহার করেন। আমার মেয়েকে তিনি ডান হাতে অতিরিক্ত প্রহারের কারণে সারারাত ব্যাথায় কাতরাতে থাকে। সকাল হলেও তার ব্যাথা না কমায় আমি তাকে অর্থ পেডিক সার্জন ডাক্তার মোন্নাফুর রহমানের নিকট চিকিৎসা দেই।এখনো আমার মেয়ের ব্যথা সম্পূর্ণরুপে ভালো হয়নি।
এ বিষয় নিয়ে গত ২৭ জুলাই স্কুলের শিক্ষক, ম্যানেজিং কমিটি নিয়ে তার সাথে আলোচনা করা হয়। প্রমাণাদি থাকার পরও তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন এবং তিনি আমাকে ভয়-ভীতি এবং হুমকি প্রদান করেন। তিনি আমাকে ছাড়াও ইতোপূর্বে অনেক অভিভাবক, শিক্ষকদের সাথেও এমন অসদাচরণ করেছেন।
অভিযুক্ত সহকারী শিক্ষক হালিমা খাতুন বলেন, বাঁশ দিয়ে নয় আমি বাঁশের কঞ্চি দিয়ে মারছি। আমি ছুম্মা খাতুনকে মননাফ ডাক্তারের কাছে নিয়ে চিকিৎসা করে ডাক্তারে ফি এবং ঔষধ কিনে দিছি।সাংবাদিক ইকবাল আর একজন সাংবাদিক আসছিলো। সাংবাদিক মানিক আমাকে বললো ৩ হাজার টাকা দাও ওদের ম্যানেজ করে দেই। আমি ২৫০০ টাকা ইকবালদের ২ জন ও সাংবাদিক মানিক ভাইকে দিয়ে ম্যানেজ করে দিছি।
প্রধান শিক্ষক বুলবুলি খাতুন (ভারপ্রাপ্ত) অভিযোগের সত্যতা স্বীকার করে বলেন, মেয়েটাকে সত্যিই মেরেছে শিক্ষক হালিমা খাতুন।মেয়েটার বাবা এসে মন্নাফ ডাক্তারকে দিয়ে তাকে চিকিৎসা করাচ্ছেন
শিক্ষা অফিসার হোসাইন মোহাম্মদ বিলাল বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত কমিটি গঠন করে দিয়েছি। তদন্ত শেষ হলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।