
X
ছবি: প্রতিনিধি
কিশোরগঞ্জের কুলিয়ারচরে দশম শ্রেণির এক স্কুলছাত্রীকে দীর্ঘদিন ধরে উত্ত্যক্ত করার পর প্রকাশ্যে পথরোধ করে মারধর ও শ্লীলতাহানির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে আলম মিয়া (২৬) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে।
এ ঘটনায় এলাকায় কোন প্রতিকার না পেয়ে অবশেষে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে সঙ্গে নিয়ে ৪ আগস্ট মঙ্গলবার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার।
অভিযুক্ত আলম মিয়া উপজেলার গোবরিয়া আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর নামাপাড়া এলাকার মৃত মুতি মিয়ার ছেলে।
ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, লক্ষ্মীপুর দ্বি-মুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ওই ছাত্রীকে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে গত প্রায় ছয় মাস ধরে ক্রমাগত কুপ্রস্তাব ও উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন আলম মিয়া। বিষয়টিতে একাধিকবার অভিযুক্তের পরিবার ও স্থানীয়দের কাছে বিচার চেয়েও কোনো সুরাহা মেলেনি; বরং অভিযুক্তের পরিবার উল্টো ভুক্তভোগী কিশোরীকেই দোষারোপ করে আসছিল।
সর্বশেষ গত ২ আগস্ট রোববার ক্লাস শেষে বাড়ি ফেরার পথে অভিযুক্ত আলম মিয়া প্রকাশ্যে ওই শিক্ষার্থীর পথরোধ করে এবং কুপ্রস্তাব দেয়। এতে সাড়া না দেওয়ায় সে শিক্ষার্থীর চুলের মুঠি ধরে টানা-হেঁচড়া করে মাটিতে ফেলে দেয় এবং এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারে। এতে কিশোরীর চোখের নিচে গুরুতর আঘাত লাগে। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলার একপর্যায়ে অভিযুক্ত নিজের গোপন অঙ্গ প্রদর্শন করে কিশোরীকে অশালীন ইঙ্গিত ও চরম ভয়ভীতি দেখায়। পরবর্তীতে স্থানীয় কয়েকজন নারী এগিয়ে এলে অভিযুক্ত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
জানা গেছে, মাত্র ছয় মাস বয়সে বাবা হারানো এই কিশোরী অত্যন্ত কষ্ট করে পড়ালেখা চালিয়ে যাচ্ছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিন খোকন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "ছেলেটি প্রায়ই আমার বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করে। সর্বশেষ বাবা-হারা এই শিক্ষার্থীকে যেভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে, এরপর আমি আর নীরব থাকতে পারিনি। তাই নিজেই মেয়েটিকে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ফোনে বিষয়টি জানিয়েছি এবং থানায় এসে অভিযোগ করেছি। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।"
ভুক্তভোগীর চাচা বলেন, "আমার ভাতিজিকে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি করা হচ্ছে। বারবার বিচার চেয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। এখন আমরা প্রশাসনের কাছে তার নিরাপত্তা এবং অভিযুক্তের কঠোর শাস্তি চাই।"
কুলিয়ারচর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কাজী আরিফ উদ্দিন জানান, "ভুক্তভোগী ও তাঁর স্বজন এবং স্কুলের প্রধান শিক্ষক এসে আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের পর সাথে সাথে পুলিশ ফোর্স পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
অভিযুক্ত আলম মিয়া (২৬) উপজেলার লক্ষ্মীপুর নামাপাড়া এলাকার মৃত মুতি মিয়ার ছেলে।
ভুক্তভোগীর পরিবারের অভিযোগ, প্রায় ছয় মাস ধরে স্কুলে যাওয়া-আসার পথে বিভিন্ন সময় ওই শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিলেন আলম মিয়া। বিষয়টি নিয়ে তাঁর পরিবারের কাছে এবং এলাকার লোকজনের কাছে একাধিকবার বিচার চাওয়া হলেও কোনো প্রতিকার মেলেনি। বরং অভিযুক্তের পরিবারের সদস্যরা উল্টো মেয়েটিকেই দোষারোপ করেন বলে অভিযোগ পরিবারের।
পরিবারের ভাষ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ গত রোববার (২ আগস্ট) লক্ষ্মীপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ক্লাস শেষে বাড়ি ফেরার পথে শিক্ষার্থীর পথরোধ করেন আলম মিয়া। এরপর কুপ্রস্তাব ও অশালীন ইঙ্গিত দেন। এতে সাড়া না দিলে তিনি শিক্ষার্থীর চুলের মুঠি ধরে টানাহেঁচড়া করে মাটিতে ফেলে কিল-ঘুষি মারেন। এতে তার চোখের নিচে আঘাত লাগে। অভিযোগ রয়েছে, ঘটনার সময় অভিযুক্ত নিজের গোপন অঙ্গ প্রদর্শন করে তাকে আরও অপমান ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। পরে স্থানীয় কয়েকজন নারী ঘটনাস্থলে ছুটে এসে শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করেন।
ভুক্তভোগী লক্ষ্মীপুর দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্রী। পরিবার জানায়, মাত্র ছয় মাস বয়সে বাবা হারানো এই কিশোরী খুবই কষ্ট পড়ালেখা করছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. জসিম উদ্দিন বলেন, ছেলেটি প্রায়ই আমার বিদ্যালয়ের ছাত্রীদের উত্ত্যক্ত করে। সর্বশেষ মা-হারা এই শিক্ষার্থীকে যেভাবে লাঞ্ছিত করা হয়েছে, এরপর আমি আর নীরব থাকতে পারিনি। তাই নিজেই মেয়েটিকে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে ফোনে বিষয়টি জানিয়েছি এবং থানায় এসে অভিযোগ করেছি। আমি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।
ভুক্তভোগীর চাচা বলেন, আমার ভাতিজিকে দীর্ঘদিন ধরে হয়রানি করা হচ্ছে। বারবার বিচার চেয়েও কোনো প্রতিকার পাইনি। এখন আমরা প্রশাসনের কাছে তার নিরাপত্তা এবং অভিযুক্তের কঠোর শাস্তি চাই।
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত আলম মিয়ার সাথে যোগাযোগ করতে না পারায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
কুলিয়ারচর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী আরিফ বলেন, ভুক্তভোগী ও তাঁর স্বজন এবং স্কুলের প্রধান শিক্ষক এসে আমাদের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের পর সাথে সাথে ফোর্স পাঠিয়েছি। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হববে।