প্রকাশ: রোববার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১৫ পিএম (ভিজিট : ৮)

X
সংগৃহীত ছবি
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে হওয়া মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তিতে ভবিষ্যতে মিসরও যুক্ত হতে পারে বলে জানিয়েছেন তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান।
তুরস্কের সরকারি বার্তা সংস্থা আনাদোলুর ‘এডিটরস ডেস্ক’ অনুষ্ঠানে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফিদান জানান, প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোগানের পরিকল্পনা হলো—বর্তমান তিন দেশের প্রতিরক্ষা উদ্যোগকে ধীরে ধীরে মধ্যপ্রাচ্যের আরও দেশগুলোর জন্য উন্মুক্ত করা।
তিনি বলেন, চুক্তির অন্যতম মূলনীতি হচ্ছে—সদস্য তিন দেশের যেকোনো একটি আক্রান্ত হলে সেটিকে তিন দেশের বিরুদ্ধেই হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে। তবে এই উদ্যোগের চরিত্র পুরোপুরি প্রতিরক্ষামূলক এবং এর মধ্যে কোনো সম্প্রসারণবাদী উদ্দেশ্য নেই।
ফিদানের ভাষ্য অনুযায়ী, তুরস্কের প্রেসিডেন্ট চান, প্রতিরক্ষা সহযোগিতার এই কাঠামো যেন কেবল সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকে। প্রয়োজন অনুযায়ী মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশকেও ভবিষ্যতে এই প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার আওতায় আনার সুযোগ রাখা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, পরবর্তী পর্যায়ে মিসরও চুক্তির অংশীদার হতে পারে।
তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চুক্তিতে কোনো নির্দিষ্ট ‘অভিন্ন হুমকি’কে চিহ্নিত করা হয়নি। তবে এর অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট দেশগুলো যৌথ সামরিক মহড়া ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করবে।
বিশ্লেষকদের দৃষ্টিতে, সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের এই প্রতিরক্ষা সহযোগিতা মধ্যপ্রাচ্য ও মুসলিম বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে সামরিক সমন্বয় বাড়ানোর একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। মিসর এতে যুক্ত হলে উদ্যোগটির পরিধি ও কৌশলগত গুরুত্ব আরও বাড়তে পারে।