প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১১ আগস্ট, ২০২৬, ৪:১১ পিএম (ভিজিট : ১)

X
সংগৃহীত ছবি
রাশিয়ার তাতারস্তান অঞ্চলের নিঝনেকামস্ক শহরে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় শিশুসহ অন্তত ১৩ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও ৩৯ জন। সাম্প্রতিক কয়েক মাসের মধ্যে রাশিয়ায় বেসামরিক মানুষের প্রাণহানির দিক থেকে এটি অন্যতম বড় হামলা বলে জানা গেছে। সোমবার (১০ আগস্ট) রুশ কর্মকর্তাদের বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে রয়টার্স।
ইউক্রেনের সামরিক বাহিনী দাবি করেছে, মস্কো থেকে প্রায় ৮০০ কিলোমিটার পূর্বে অবস্থিত তাতারস্তানের তানেকো তেল শোধনাগার লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। শোধনাগারটিতে হামলার পর আগুন ছড়িয়ে পড়ে বলে জানিয়েছে তারা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতেও স্থাপনাটির ওপর থেকে ঘন ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে।
এ ঘটনাকে সন্ত্রাসী হামলা হিসেবে উল্লেখ করে তদন্ত শুরু করেছে রাশিয়ার তদন্তকারী সংস্থা। তাদের অভিযোগ, ইউক্রেনের বাহিনী আবাসিক এলাকাকেও হামলার লক্ষ্যবস্তু করেছে। হামলার পর তাতারস্তানের প্রধান রুস্তম মিন্নিখানভ শোক ঘোষণা করেছেন বলে নিঝনেকামস্কের মেয়র টেলিগ্রামে জানিয়েছেন।
তানেকো শোধনাগারটি এর আগেও ইউক্রেনের হামলার শিকার হয়েছে। গত জুনের শুরুতে সেখানে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটে। রাশিয়ার জ্বালানি অবকাঠামো দুর্বল করতে কয়েক মাস ধরে দেশটির বিভিন্ন তেল শোধনাগারে হামলা চালিয়ে আসছে ইউক্রেন। এসব হামলার প্রভাবে রাশিয়ার কিছু অঞ্চলে জ্বালানি সরবরাহে চাপ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে বিদেশ থেকে জ্বালানি আমদানির পথও বেছে নিয়েছে মস্কো।
এর আগে রোববারও রাশিয়া ও ইউক্রেন পরস্পরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তোলে। ইউক্রেনের খারকিভে রুশ হামলায় তিনজন এবং রাশিয়ার বেলগোরোডে ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলায় পাঁচজন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। তবে দুই দেশই বরাবর বেসামরিক মানুষকে ইচ্ছাকৃতভাবে হামলার লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ অস্বীকার করে আসছে।