শিপইয়ার্ডে গ্যাস দুর্ঘটনা, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে শিল্প সচিব

চট্টগ্রাম ব্যুরো

সারাবাংলা

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে যে জাহাজ ভাঙার সময় গ্যাস ছড়িয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, সেটিতে হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস জমে আছে

2026-08-15T15:27:33+00:00
2026-08-15T15:27:33+00:00
শনিবার ১৫ আগস্ট ২০২৬ ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার ১৫ আগস্ট ২০২৬
   
শিপইয়ার্ডে গ্যাস দুর্ঘটনা, ঘটনাস্থল পরিদর্শনে শিল্প সচিব
চট্টগ্রাম ব্যুরো
প্রকাশ: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ৩:২৭ পিএম   (ভিজিট : ০)
ফাইল ছবি
X

ফাইল ছবি

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডে যে জাহাজ ভাঙার সময় গ্যাস ছড়িয়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে, সেটিতে হাইড্রোজেন সালফাইড গ্যাস জমে আছে বলে জানিয়েছেন শিল্প সচিব আব্দুন নাসের খান।

শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তিনি বলেছেন, “বিস্ফোরক অধিদপ্তরের যারা এখানে আছেন, তারা দেখেছেন—হাইড্রোজেন সালফাইড এখানে আছে। সেটা কীভাবে রিমুভ করা যায়, সে লক্ষ্যে কাজ চলছে। এরইমধ্যে কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটেছে তা তদন্তে উচ্চ পর্যায়ের একটি কমিটি করা হয়েছে। সেখানে বিশেষজ্ঞরা আছেন। অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছে। জেলা প্রশাসনও একটি কমিটি করেছে।”

খুবই গুরুত্ব সহকারে বিষয়টিকে দেখা হচ্ছে জানিয়ে শিল্প সচিব বলেন, “আমরা দেখছি কেন ঘটনাটা ঘটল। যদি এখানে কারো কোনো অবহেলা থেকে থাকে, দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ভবিষ্যতে যেন এরকম ঘটনা না ঘটে।”

শিল্প সচিব নাসের খান জানান, দুর্ঘটনা তদন্তে শিল্প মন্ত্রণালয় ১১ সদস্যের তদন্ত কমিটি করেছে। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ কে এম বেনজামিন রিয়াজীকে এ কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে। পাঁচ কর্ম দিবসের মধ্যে কমিটিকে শিল্প সচিবের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।

এ কমিটিকে ঘটনার কারণ অনুসন্ধানের পাশাপাশি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের দায় আছে কি না, থাকলে তাদের অবহেলা চিহ্নিত করার পাশাপাশি ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সুপারিশ করতে বলা হয়েছে।

এছাড়া দুর্ঘটনার সময় শ্রমিকদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা সরঞ্জাম (পিপিই) ছিল কি না, উদ্ধার ও চিকিৎসা কাজে ইয়ার্ড কর্তৃপক্ষের কোনো অবহেলা ও অদক্ষতা ছিল কি না, ইয়ার্ডে ইমার্জেন্সি রেসপন্স টিম ছিল কি না এসব বিষয়েও কমিটিকে অনুসন্ধান করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

শুক্রবার সকালে ফেরদৌস স্টিল শিপ ব্রেকিং ইয়ার্ডে একটি পুরনো জাহাজে বিষাক্ত গ্যাস নিঃসরণে ৯ জন নিহত হয়। আহত হয় আরো ৭ জন।

সাপ্তাহিক ছুটির দিনে ওই শিপ ইয়ার্ডে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াই জাহাজ কাটার কাজ চলছিল বলে শ্রমিক, স্থানীয় বাসিন্দা ও শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ।

এছাড়া সরকারি একাধিক সংস্থার কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, জাহাজটিতে গ্যাস জমে ছিল। গ্যাস মুক্ত না করেই সেখানে কাজ চলছিল।

সচিব আব্দুন নাসের খান বলেন, “কালকে যে ঘটনাটা ঘটেছে, এটি কিন্তু কমপ্লায়েন্স একটি ইয়ার্ড। ইন্টারন্যাশনালি তাদের যা করতে হয়, সেটা তারা করেছিল। তাদের সেফটি অডিটও করতে হয়। করেছিল। এর পরও গতকালের দুর্ঘটনা ঘটেছে। যারা নিহত হয়েছেন, তাদের জন্য গভীর দুঃখ প্রকাশ করছি। আহতদের চিকিৎসার জন্য সর্বোচ্চ ব্যবস্থা করা হবে।”

শিল্প সচিব বলেন, “এই খাত খুবই প্রমিজিং একটা খাত। এই খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে যা যা করার করা হবে। গত পরশু দিনই সর্বোচ্চ পর্যায়ের যে কমিটি এই খাত নিয়ে, যেটিতে পরিবেশমন্ত্রী আহ্বায়ক, তারা বসেছেন। যা যা প্রতিবন্ধকতা, সেগুলো দূর করে কীভাবে গ্রিন শিপ ইয়ার্ড করা যায়। গতকালের যে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা, এখন আমাদের কাছে মুখ্য বিষয় এটার তদন্ত করা





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy