৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বহু এলাকা!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আন্তর্জাতিক

ইন্দোনেশিয়ায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৮ জন নিহত হয়েছেন। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে

2026-08-15T16:35:05+00:00
2026-08-15T16:35:05+00:00
শনিবার ১৫ আগস্ট ২০২৬ ৩১ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার ১৫ আগস্ট ২০২৬
   
৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বহু এলাকা!
আন্তর্জাতিক ডেস্ক
প্রকাশ: শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬, ৪:৩৫ পিএম   (ভিজিট : ২)
প্রতীকী ছবি
X

প্রতীকী ছবি

ইন্দোনেশিয়ায় ৭ দশমিক ৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত অন্তত ৩৮ জন নিহত হয়েছেন। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে ফ্লোরেস দ্বীপের কাছে আঘাত হানা ভূমিকম্পের পর উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

স্থানীয় সময় শনিবার ভোর ৪টা ৫৮ মিনিটের দিকে পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশের নাগেওকেও এলাকার কাছে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। ইন্দোনেশিয়ার আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা (বিএমকেজি) জানিয়েছে, ভূমিকম্পটির উৎপত্তিস্থল ছিল ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১৫ কিলোমিটার গভীরে।

মূল ভূমিকম্পের পর ফ্লোরেস ও আশপাশের এলাকায় একাধিক শক্তিশালী আফটারশক অনুভূত হয়। এর মধ্যে একটি কম্পনের মাত্রা ছিল ৬ দশমিক ১। অগভীর গভীরতায় ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হওয়ায় ভূপৃষ্ঠে এর প্রভাব তুলনামূলক বেশি হয়েছে।

ইন্দোনেশিয়ার জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা বিএনপিবি জানিয়েছে, ভূমিকম্পে বিভিন্ন এলাকায় প্রাণহানি ও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। দুর্গম ও পাহাড়ি এলাকায় উদ্ধারকাজ চালানোয় ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ হিসাব পেতে সময় লাগছে।

মাউমেরে বন্দরে ধারণ করা ভিডিওতে দেখা যায়, ভূমিকম্পের সময় টার্মিনাল ভবনের কংক্রিটের একটি বড় অংশ ভেঙে পড়ে। একটি জাহাজের সঙ্গে সংযোগকারী পথও ক্ষতিগ্রস্ত হলে কয়েকজন যাত্রী পানিতে পড়ে যান।

পূর্ব নুসা তেংগারা প্রদেশের গভর্নর এমানুয়েল মেলকিয়াদেস লাকা লেনা জানান, ধসে পড়া ভবনের ধ্বংসাবশেষের নিচে চাপা পড়ে কয়েকজনের মৃত্যু হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও উদ্ধারকারী দলগুলো ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে।

ভূমিকম্পের পর সুনামির আশঙ্কায় উপকূলীয় এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে বলা হয়। সতর্কতার পর প্রায় ২ হাজার মানুষ নিজেদের উদ্যোগে নিরাপদ এলাকায় চলে যান। তবে বড় ধরনের সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি না পাওয়ায় প্রায় তিন ঘণ্টা পর সুনামি সতর্কতা প্রত্যাহার করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রবল কম্পনে ঘুম ভেঙে যাওয়ার পর অনেকেই দ্রুত বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন। আফটারশকের আশঙ্কায় অনেকে এখনও ঘরে ফিরতে ভয় পাচ্ছেন।

প্রাথমিকভাবে বিভিন্ন এলাকায় বহু ঘরবাড়ি ও স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্বাস্থ্যকেন্দ্র, উপাসনালয়, সরকারি ভবন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুর্গম এলাকাগুলোতে ক্ষয়ক্ষতির পূর্ণাঙ্গ চিত্র এখনও পাওয়া যায়নি।





Loading...
Loading...


আন্তর্জাতিক এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy