সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংশোধনে জামায়াতের প্রস্তাবের বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ‘এটা পরের চ্যাপ্টার। এখন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আগে এই প্রশ্নটা অবান্তর এবং কনফিউশন সৃষ্টি করার মতো।’
রোববার নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচনি কর্তা ও সিইসি এএমএম নাসির উদ্দিন যাচাই-বাছাই শেষে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা করেন। এ সময় বিএনপির প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি, সংসদের হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।
পরে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় সাংবাদিকদের বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি পদে বিএনপির প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মনোনয়নপত্রের প্রস্তাবক ছিলেন স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান ও সমর্থনকারী ছিলাম আমি। আপনাদের আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি, আমাদের প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩তম বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী হিসেবে বৈধ ঘোষিত হয়েছেন। এখন আমরা অপেক্ষায় থাকব ২০ তারিখে ভোটের জন্য।’
রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বড় অন্তরায় ৭০ অনুচ্ছেদ জামায়াত জোটের এমন দাবি প্রসঙ্গে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, বড় বাধা কি বাধা না, আমাদের প্রচলিত সংবিধান অনুযায়ী আমাকে পথ চলতে হবে। সেই সংবিধানে যেখানে বাঁধা আছে, সেই বাঁধা অতিক্রম করার জন্য আমাকে সংসদ থেকে সংশোধন করতে হবে। এর বাইরে না, রাস্তাঘাটে বলে লাভ নেই।
দলের মহাসচিব কে হবেন এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির স্থায়ী কমিটির এ সদস্য বলেন, ‘দলের মহাসচিবকে নিয়ে নির্বাচন কমিশনের চিন্তাভাবনা নয়, ওটা গুলশান অফিসে আমাদের স্থায়ী কমিটির চিন্তাভাবনা।’