ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শূকরের হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপিত হলো মানব শরীরে

অনলাইন ডেস্ক

অন্যান্য

মানবদেহে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে শূকরের হৃৎপিণ্ড। মানুষের শরীরে শূকরের হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপনের ঘটনা ইতিহাসে এটিই প্রথম। অস্ত্রোপচারটি সম্পন্ন হয়

2022-01-11T13:13:58+00:00
2022-01-11T15:25:51+00:00
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬ ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
শনিবার ৮ আগস্ট ২০২৬
   
ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শূকরের হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপিত হলো মানব শরীরে
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: মঙ্গলবার, ১১ জানুয়ারি, ২০২২, ১:১৩ পিএম  আপডেট: ১১.০১.২০২২ ৩:২৫ পিএম  (ভিজিট : ৩১১)
X


মানবদেহে প্রতিস্থাপন করা হয়েছে শূকরের হৃৎপিণ্ড। মানুষের শরীরে শূকরের হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপনের ঘটনা ইতিহাসে এটিই প্রথম। অস্ত্রোপচারটি সম্পন্ন হয় চিকিৎসক বার্টলে গ্রিফিথের নেতৃত্বে। এ প্রক্রিয়ার ফলে বিশ্বজুড়ে অঙ্গদানের ক্ষেত্রে যে সমস্যার মুখে পড়তে হয়, তা থেকে মুক্তি মিলতে পারে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যদিকে চিকিৎসকদের দাবি, প্রাণীদের থেকে মানবদেহে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের ক্ষেত্রে মাইলফলক হতে চলেছে এ ঘটনা। 

গতকাল সোমবার (১০ ডিসেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রর বাল্টিমোরের ইউনিভার্সিটি অব মেরিল্যান্ড মেডিকেল স্কুলের বিবৃতির  সূত্রমতে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ান জানায়, গত শুক্রবার ৫৭ বছরের এক ব্যক্তির দেহে শূকরের হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন করা হয়েছে, যা জিনগত দিক থেকে পরিবর্তন করা হয়েছিল। আপাতত ওই রোগী সুস্থ হয়ে উঠছেন এবং তার শরীরের অঙ্গ কীভাবে কাজ করে, সেদিকে সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হয়েছে। 

অস্ত্রোপচারকারী চিকিৎসক বার্টলে গ্রিফিথ বলেন, 'এই অস্ত্রোপচারটি ছিলো একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। অঙ্গের অভাব যে রয়েছে, সেই সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে আমাদের আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে এ ঘটনা।  আমরা সতর্কভাবে কাজ করেছি। তবে আমরা আশাবাদী যে বিশ্বের এ ধরনের প্রথম অস্ত্রোপচারের ফলে ভবিষ্যতে রোগীদের সামনে নয়া দিগন্ত উন্মোচিত হবে।' 

রোগীর শরীরে কেন মানুষের হৃৎপিণ্ড প্রতিস্থাপন করা হলো না জানতে চাইলে ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড মেডিকেল স্কুলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে-  ডেভিড বেনেট নামে এক ব্যক্তি যার বয়স ৫৭ বছর।  গত কয়েক মাস ধরে তিনি শয্যাশায়ী হয়ে পড়েছিলেন। এতোদিন একটি যন্ত্রের মাধ্যমে চলছিল তার হৃৎপিণ্ড। তার শারীরিক অবস্থা খুব একটা ভাল ছিলো না। মানবদেহের হৃৎপিণ্ডের ধকল সহ্য করার মতো অবস্থায় ছিলেন না তিনি। সাধারণত অঙ্গগ্রহীতার শারীরিক অবস্থা যদি অত্যন্ত খারাপ হয়, তা হলে এ রকম পরিস্থিতির মুখে পড়তে হয়।

অঙ্গ প্রতিস্থাপনের আগে অঙ্গগ্রহীতা ডেভিড বেনেট বলেছিলেন, 'বিষয়টি এ রকম ছিল যে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়তে হবে অথবা এই প্রতিস্থাপন করতে হবে। আমি বাঁচতে চাই। আমি জানি, এটি অন্ধকারে তীর ছোড়ার মতো বিষয় ছিল। এই অঙ্গ প্রতিস্থাপনই ছিল আমার শেষ বিকল্প। আমি সুস্থ হওয়ার পর বিছানা থেকে উঠে দাড়াতে উদগ্রীব হয়ে আছি।' 





Loading...
Loading...


অন্যান্য এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy