গুগল সূত্র বলছে, এর ঐতিহাসিক নাম ব্যাভারিয় ইলুমিনাতি, যা মূলত একটি গুপ্ত সংগঠন। ১৭৭৬ সালের ১ মে জার্মানির ব্যাভারিয়াতে অ্যাডাম ভাইসহাউপ্ট কর্তৃক এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর লক্ষ্য ছিল কুসংস্কার, অস্পষ্টতা, জনজীবনে ধর্মীয় প্রভাব এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরোধিতা করা। তারা তাদের সাধারণ বিধিতে লিখেছিল, ‘অন্যায়ের প্রবর্তকদের ষড়যন্ত্রের অবসান ঘটানো, তাদের ওপর কর্তৃত্ব না করে তাদের নিয়ন্ত্রণ করা।’
গুগল সূত্র বলছে, এর ঐতিহাসিক নাম ব্যাভারিয় ইলুমিনাতি, যা মূলত একটি গুপ্ত সংগঠন। ১৭৭৬ সালের ১ মে জার্মানির ব্যাভারিয়াতে অ্যাডাম ভাইসহাউপ্ট কর্তৃক এটি প্রতিষ্ঠিত হয়। এর লক্ষ্য ছিল কুসংস্কার, অস্পষ্টতা, জনজীবনে ধর্মীয় প্রভাব এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতার অপব্যবহারের বিরোধিতা করা। তারা তাদের সাধারণ বিধিতে লিখেছিল, ‘অন্যায়ের প্রবর্তকদের ষড়যন্ত্রের অবসান ঘটানো, তাদের ওপর কর্তৃত্ব না করে তাদের নিয়ন্ত্রণ করা।’
সমাজ ও জাতির জন্য এই সংগঠন হুমকিস্বরূপ ভেবে রোমান সাম্রাজ্যের অধীনস্থ ব্যাভারিয়ার তৎকালীন শাসক চার্লস থিওডোর তার শাসিত অঞ্চলের সব গুপ্ত সংগঠন নিষিদ্ধ ঘোষণা করেন। ১৭৮৫ সালের ২ মার্চ এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ হয়। জানা গেছে, মূলত সেখানেই শেষ হয় সংগঠনটির সাংগঠনিক কার্যক্রম।
জনপ্রিয় ‘বন্ধ জানালা’ গানের প্রচ্ছদ।
তুমুল জনপ্রিয় ‘বন্ধ জানালা’ গানটি নিয়ে নিয়ে অস্থির হয়ে উঠেছে ফেসবুক ও ইউটিউব, বিব্রত ও ক্ষুব্ধ হয়ে আছে ব্যান্ড শিরোনামহীন সদস্যরা। সম্প্রতি একটি ভিডিও ভ্লগের সূত্র ধরে ব্যান্ডটির নামে অভিযোগ, ‘শিরোনামহীন ইলুমিনাতির এজেন্ট’!
জার্মানির বিলুপ্ত সংগঠনটি যেন জেগে উঠলো শাহ জিম নামের এক কিশোরের ফেসবুকে ভিডিও ভ্লগ ধরে বাংলাদেশের মাটিতে! যেখানে এই কিশোর নানা তথ্য-উপাত্ত দিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন, শিরোনামহীন ইলুমিনাতির এজেন্ট! যারা ইসলামবিরোধী এবং শয়তানের পূজারি। দুদিন ধরে এই ভিডিওটি ভাইরাল হতে থাকে সোশাল হ্যান্ডেলে। যা নজরে এসেছে শিরোনামহীন সদস্যদের। দলটির পক্ষ থেকে যোগাযোগ করা হয় ভ্লগার শাহ জিমের সঙ্গে। নেওয়া হচ্ছে আইনি পদক্ষেপও।
শিরোনামহীনের প্রধান জিয়াউর রহমান।
শিরোনামহীন ব্যান্ডের জিয়াউর রহমান বলেন, ‘এভাবেই আসলে রায়ট হয়। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক এবং উদ্বিগ্ন হওয়ার মতো। আমরা প্রথমেই ছেলেটিকে খুঁজে বের করি। বাচ্চা একটা ছেলে। এসএসসি পরীক্ষা দেবে। ওকে আমরা আমাদের গানটির থিম বোঝানোর চেষ্টা করি। এরপর আমরা বিষয়টি জানাই পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগেও। কারণ, বিষয়টিকে সহজ চোখে দেখার সুযোগ নেই। এটা খুবই বিব্রতকর ঘটনা এবং বিভ্রান্তিকর। বিষয়টি নিয়ে দেশে রায়ট লেগে যেতে পারতো।’
অনেকটা তা-ই। তবে তার আগেই শাহ জিম তার ভ্লগটি মুছে ফেলেছেন এবং দুঃখ প্রকাশ করে ভিডিও বার্তা দিয়েছেন। কিন্তু সমস্যা হলো বিতর্কিত ভিডিওটি এখনও ঘুরছে সোশাল হ্যান্ডেলের দেয়ালে দেয়ালে বিভিন্ন আইডি থেকে। যা ক্রমশ ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা ছড়াচ্ছে বলে মনে করছে শিরোনামহীন। মূলত সেজন্যই ভিডিওটি নিয়ে আইনি ব্যবস্থা নিচ্ছে ব্যান্ড সদস্যরা।
শিরোনামহীন মনে করছে, জনপ্রিয় গান ও ব্যান্ড নিয়ে মনগড়া কাহিনি তৈরি করে কিছু মানুষ সবাইকে বিভ্রান্ত করে প্রচুর আয় করছে। আর কিছু মানুষ এসব ভিডিও দেখে রায়টের স্বপ্ন দেখছে।