প্রকাশ: রোববার, ৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ৩:০৬ পিএম (ভিজিট : ১০৫)

X
পৌষ মাসের মধ্যখানে উত্তরের জেলা নীলফামারীতে হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশার সঙ্গে জেঁকে বসেছে তীব্র কনকনে শীত। এতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে স্বাভাবিক জন-জীবন। শীতের দাপটে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন দিন-মজুর ও খেটে খাওয়া নিম্ন আয়ের মানুষেরা। শীতজনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছেন শিশু ও বৃদ্ধরা। এসব রোগির ভিড় জেলার সবকটি উপজেলার হাসপাতাল-স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে।
সৈয়দপুর বিমানবন্দরের আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হাকিম জানান, রোববার (০৪ জানুয়ারী) দুপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ দ;শমিক আট ও আগেরদিন শনিবার (৩ জানুয়ারি) সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১০ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, নীলফামারীসহ উত্তরের বেশ কিছু জেলার ওপর দিয়ে মৃদু শৈত্য-প্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। ঘন কুয়াশার কারণে আকাশ ও সড়ক পথে যান চলাচল ব্যাপকভাবে বিঘ্নিত হচ্ছে এবং দুপুরের আগে সূর্যের দেখা মিলছে না।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, শীতের তীব্রতায় সবচেয়ে বেশি কষ্টে আছেন দিন-মজুর ও নিম্ন আয়ের মানুষ। রাস্তা-ঘাট ও বাজারে লোক সমাগম কমে যাওয়ায় রিকশা চালক ও ইজিবাইক চালকদের আয় কমে গেছে। এদিকে, বোরো বীজতলা নিয়ে দু:শ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। ঘন কুয়াশা দীর্ঘস্থায়ী হলে বীজতলার ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কা করছেন তারা। কৃষকরা বলছেন, ঘন কুয়াশা যদি আরও এক সপ্তাহ অব্যাহত থাকে, তা’হলে এ বীজ তলার ব্যাপক ক্ষতি হতে পারে।
জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নায়িরুজ্জামান বলেন, ইতিমধ্যে সাড়ে ৭ হাজার কম্বল ও ছয় উপজেলায় ৬লাখ টাকা করে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয়ভাবে উপজেলা প্রশাসন ওই টাকা দিয়ে কম্বল কিনে বিতরণ করেছেন। নতুন করে আরও ৪০ হাজার কম্বলের চাহিদাপত্র পাঠানো হয়েছে। (ছবি আছে)