প্রকাশ: মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারি, ২০২৬, ৮:০২ পিএম (ভিজিট : ৫৫)

X
নীলফামারীর ডোমারে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে নীলফামারীর-১আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আব্দুস সাত্তারের এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে নীলফামারীর ডোমার আইডিয়াল একাডেমীর মিলনায়তনে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় করেন, নীলফামারী জেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও নীলফামারী-০১ (ডোমার-ডিমলা) আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার।
এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে নিজেরা দুর্নীতি করবে না, কাউকেও দুর্নীতি করতে দেবে না। প্রতিটি আসনের উন্নয়ন বরাদ্দ শতভাগ জনগণের উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।
ডোমার উপজেলা জামায়াতের প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি মো. সোহেল রানার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন ডোমার উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা আব্দুল হাকিম।মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডিমলা উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমীর মাওলানা মুজিবুর রহমান, ডোমার উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা রবিউল আলম, ডিমলা উপজেলা সেক্রেটারি কাজী রোকনুজ্জামান বকুল এবং ডোমার উপজেলা কর্মপরিষদের সদস্য হাফেজ আব্দুল হক।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যক্ষ মাওলানা আব্দুস সাত্তার বলেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কখনো রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষমতায় যাওয়ার সুযোগ পায়নি। তবে এবার জনগণের মাঝে একটি সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি বলেন, “যতক্ষণ পর্যন্ত কোনো দল রাষ্ট্রীয়ভাবে ক্ষমতায় না যায়, ততক্ষণ পর্যন্ত তারা দেশ পরিচালনায় সক্ষম কি না এটা আগেই বিচার করা ঠিক নয়। যেমন কোনো শিক্ষক যদি কখনো প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালনের সুযোগ না পান, তাহলে তিনি সে দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতে পারবেন কি না এটা আগেই বলা যায় না। সুতরাং জামায়াতে ইসলামীকে অন্তত একবার সুযোগ দিয়ে দেখা দরকার।”
তিনি আরও বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতায় গেলে এলাকার সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা হবে। প্রত্যেক সংসদীয় আসনের জন্য বরাদ্দ অর্থ শতভাগ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার মাধ্যমে জনগণের কল্যাণে ব্যয় করা হবে।
মিডিয়ার ভূমিকা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “রাষ্ট্রের তৃতীয় স্তম্ভ হিসেবে আপনারা কোনো রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব করবেন না। আপনারা রাষ্ট্র ও জাতির প্রত্যাশা পূরণে কাজ করবেন। এ জাতি যেন আর কোনোভাবে বিপর্যস্ত না হয়, সে বিষয়টি মাথায় রেখে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা করতে হবে।”