ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নে আসন্ন গণভোটকে সামনে রেখে রায়পুর উপজেলায় ব্যাপক জনসচেতনতামূলক প্রচারণা চালাচ্ছে উপজেলা প্রশাসন। গণভোটের ‘হ্যাঁ’/‘না’ ভোটের পক্ষে গুরুত্ব তুলে ধরে নানা কর্মসূচির মাধ্যমে ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগে উদ্বুদ্ধ করার চেষ্টা চলছে। তবে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করা হচ্ছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, রায়পুর পৌরসভা ও উপজেলার সব ইউনিয়নে গণভোটের তারিখ, পদ্ধতি ও গুরুত্ব তুলে ধরে নিয়মিত মাইকিং করা হচ্ছে। ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়, বাজার, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, বাসস্ট্যান্ড ও গুরুত্বপূর্ণ সড়ক মোড়ে টাঙানো হয়েছে সচেতনতামূলক ব্যানার ও পোস্টার।
এছাড়া জনপ্রতিনিধি, শিক্ষক, ইমাম ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে একাধিক মতবিনিময় সভাও অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণভোট একটি গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া হিসেবে প্রচারণায় ভোটারদের নির্ভয়ে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে। বিশেষ করে নতুন ভোটার ও তরুণদের গণভোট সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দিতে আলাদা গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
গ্রামের কয়েজন ভোটার বলেন, মাইকিং তো শুনছি, কিন্তু কীভাবে ভোট দেব, কী বিষয় নিয়ে গণভোট এইটা পরিষ্কার করে কেউ বুঝায়নি। আমাদের মতো গ্রামের অনেকেই এখনও গণভোটের পদ্ধতি সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাচ্ছিনা। বিশেষ করে গ্রামের নারী ভোটার হাঁ /না ভোটের কিছুই জানেনা।
রায়পুর থানার ওসি শাহীন মিয়া বলেন, গণভোটকে ঘিরে গুজব রোধে প্রশাসন বিশেষ নজরদারি চালাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য ছড়ানো ঠেকাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও সাইবার মনিটরিং টিম সক্রিয় রয়েছে।
রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহেদী হাসান কাউছার বলেন, গণভোট একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া। জনগণের মতামতের ভিত্তিতেই এই প্রক্রিয়ার সফলতা নির্ভর করে। এ কারণেই গণভোটকে কেন্দ্র করে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচারণা চালানো হচ্ছে। গণভোটকে সফল করতে সর্বস্তরের জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা কামনা দাবি জানান কর্মকর্তা।