প্রকাশ: বুধবার, ১৪ জানুয়ারি, ২০২৬, ২:৫৮ পিএম (ভিজিট : ৯৭)

X
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নীলফামারী-০–৪ (সৈয়দপুর-–কিশোরগঞ্জ) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আলহাজ্ব সিদ্দিকুল আলমের মনোনয়ন বাতিলের দাবিতে নির্বাচন কমিশনে আপিল করেছেন একই আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলহাজ্ব অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার।
এ আপিল দাখিলের পর নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব আরিফুর রহমানের স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় জানানো হয়, আগামী ১৭ জানুয়ারি আপিলের শুনানি অনুষ্ঠিত হবে এবং এদিন উভয়পক্ষের প্রার্থীদের স্বশরীরে উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে ১২ জানুয়ারি এ সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রকাশ করা হয়, যা’ জেলা রিটার্নিং অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে বিএনপি’ প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকার বলেন, জাতীয় পার্টির প্রার্থী তার হলফনামায় গত ৫ আগস্টের পর ঢাকার চারটি থানায় দায়ের হওয়া মামলার তথ্য গোপন করেছেন। মনোনয়ন যাচাইয়ের সময় বিষয়টি জেলা রিটার্নিং অফিসারকে জানানো হলেও কর্তৃপক্ষ তা’ আমলে নেয়নি বলে অভিযোগ করেন তিনি। এজন্য বাধ্য হয়ে নির্বাচন কমিশনে আপিল করা হয়েছে বলে জানান। পাশাপাশি তিনি দাবি করেন, ২০২৪ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে ফ্যাসিস্ট সরকারের অধীনে এমপি’ নির্বাচিত হওয়ায় সিদ্দিকুল আলমের মনোনয়ন বাতিল হওয়া উচিত। তার আশা, শুনানিতে মনোনয়ন অবৈধ ঘোষণা হবে।
অন্যদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে জাতীয় পার্টির প্রার্থী আলহাজ্ব সিদ্দিকুল আলম বলেন, বিএনপি’ প্রার্থী তার সম্ভাব্য বিজয় আঁচ করতে পেরে তাকে নির্বাচন থেকে সরাতে ষড়যন্ত্র করছেন। তিনি দাবি করেন, হলফনামায় নিজের জানা সব তথ্যই উল্লেখ করেছেন। তবে অজান্তে হওয়া একটি মামলার বিষয়ে পুলিশ রেকর্ডে তথ্য না থাকায় সেটি সেখানে অন্তর্ভুক্ত করা যায়নি। পরে মামলার বাদির মাধ্যমে আদালতে করা এফিডেভিটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জেলা রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে জমা দিয়েছেন বলেও জানান তিনি। তাই, শুনানিতে তার মনোনয়ন বৈধ হিসেবেই বহাল থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।