সখীপুরে বন বিভাগ-স্থানীয়দের জমি বিরোধ, ভেঙে দেওয়া হলো টিনের ঘর

সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি

সারাবাংলা

সখীপুরে অভিযান চালিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের নির্মাণ করা প্রায় ৬০ হাত দীর্ঘ একটি টিনের ঘর ভেঙে দিয়েছে বন বিভাগ।আজ

2026-08-09T18:03:00+00:00
2026-08-09T18:03:00+00:00
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬ ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
রবিবার ৯ আগস্ট ২০২৬
   
সখীপুরে বন বিভাগ-স্থানীয়দের জমি বিরোধ, ভেঙে দেওয়া হলো টিনের ঘর
সখীপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি
প্রকাশ: রোববার, ৯ আগস্ট, ২০২৬, ৬:০৩ পিএম   (ভিজিট : ৬)
ছবি: প্রতিনিধি
X

ছবি: প্রতিনিধি

সখীপুরে অভিযান চালিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের নির্মাণ করা প্রায় ৬০ হাত দীর্ঘ একটি টিনের ঘর ভেঙে দিয়েছে বন বিভাগ। 

আজ রোববার (৯ আগস্ট) ভোর সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার বহেড়াতৈল ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হলুদিয়া চালা বাজারে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের দাবি, ঘরটি যে জমিতে নির্মাণ করা হয়েছিল, তা ১৯৬২ সালের আরওআর রেকর্ডভুক্ত এবং রেজিস্ট্রি দলিলের মাধ্যমে তাঁরা মালিকানা পেয়েছেন। তবে বন বিভাগের দাবি, উপজেলার বগা মৌজার সিএস খতিয়ানের ৪৫ নম্বর দাগের ওই জমি সংরক্ষিত বনভূমির অন্তর্ভুক্ত।

আটিয়া বন-১৯৮২ অধ্যাদেশকে কেন্দ্র করে সখীপুরের বিভিন্ন বিরোধপূর্ণ জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় বাসিন্দা ও বন বিভাগের পাল্টাপাল্টি দাবি রয়েছে। 

স্থানীয় বাসিন্দা ও বন বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, সখীপুর-বহেড়াতৈল সড়কের হলুদিয়া চালা বাজারের ওই জমিতে আগে দুটি পুরোনো দোকানঘর ছিল। সেখানে স্থানীয় বাসিন্দা শাহনাজ বেগম চায়ের দোকান চালাতেন। দোকানঘর দুটির অবস্থা নড়বড়ে হয়ে পড়ায় সম্প্রতি পুরোনো ঘর ভেঙে জমির মালিকেরা নতুন করে টিনের ঘর নির্মাণ করেন। তবে রোববার বন বিভাগ ওই ঘর সংরক্ষিত বনভূমিতে নির্মাণ করা হয়েছে দাবি করে তা ভেঙে দেয়।
জমির একাংশের মালিক আব্দুল আজিজ বলেন, ‘১৯৬২ সালের আরওআর রেকর্ডভুক্ত জমিটুকু আমরা ছয়জন মিলে কিনেছি। জমির মূল মালিকের নামে রেজিস্ট্রি দলিল রয়েছে। সপ্তাহখানেক আগে ওই জমিতে ঘর নির্মাণের সময়ও বন বিভাগ কোনো বাধা দেয়নি। কিন্তু আজ সকালে তারা কাউকে কিছু না জানিয়েই ঘরটি গুঁড়িয়ে দিয়েছে। এতে ওই ঘরের চা দোকানি শাহনাজ বেগমসহ আমরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি।’

চা দোকানি শাহনাজ বেগম বলেন, ‘ওই জায়গায় আমার পুরোনো চায়ের দোকান ছিল। দোকানটি দিয়ে বৃষ্টির পানি পড়ত। তাই ঘরটি মেরামত করেছি। চার সন্তান নিয়ে এই চায়ের দোকান করেই আমার সংসার চলে। আমার বাচ্চারা এখন কী খাবে? আমি এখন কী করব?’

তবে বন বিভাগের বহেড়াতৈল রেঞ্জ কর্মকর্তা এমরান আলী বলেন, ‘ওই জমি স্পষ্টতই সংরক্ষিত বন বিভাগের। এটি উপজেলার বগা মৌজার সিএস দাগ নম্বর ৪৫-এর অন্তর্ভুক্ত। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বন বিভাগকে না জানিয়ে রাতের আঁধারে সেখানে মার্কেট নির্মাণ করেছিল। খবর পেয়ে টাঙ্গাইলের সহকারী বন সংরক্ষক রানা দেবের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে আমরা ওই ঘর উচ্ছেদ করেছি।’





Loading...
Loading...


সারাবাংলা এর আরও খবর
সম্পাদক ও প্রকাশক:
আবুল হাসান মো: আল ফারুক
ঠিকানা: ৯/এফ, এইচআরসি ভবন, ৪৬, কাওরান বাজার বা/এ, ঢাকা- ১২১৫।
নিউজ- 01841042597, বিজ্ঞাপন- 01841011947, 01841042595, সার্কুলেশন- 01841042599, ই-মেইল : [email protected]
কপিরাইট © বাংলাদেশ বুলেটিন সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত
 About Us    Contact Us    Privacy Policy    Terms & Conditions    Editorial Policy    Correction Policy