প্রকাশ: রোববার, ১৮ জানুয়ারি, ২০২৬, ১০:৩২ এএম (ভিজিট : ১২৫)

X
একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে গাইবান্ধায় হ্যাঁ/না ভোট নিয়ে চলছে জেলা প্রশাসনের ব্যাপক প্রচারণা। প্রার্থীরা নানা কর্মসূচির মাধ্যমে ভোট প্রার্থনা করছে। তবে ভোটারদের মাঝে ব্যাপক উদ্দীপনা উৎসাহ না থাকলেও দলীয় প্রার্থীর সমর্থকরা দলীয় প্রতীকের প্রচারণা চালাচ্ছেন।
গাইবান্ধা-৫ (সাঘাটা-ফুলছড়ি) আসনে জাতীয় পার্টির মহাসচিব ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী ও ভাইস চেয়ারম্যান এ.এইচ.এম গোলাম শহীদ রঞ্জুর ভিন্ন অবস্থান হওয়ায় ভোটারের মাঝে কৌতুহল ও বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। শামীম হায়দার পাটোয়ারীর বিপরীতে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণায় নেমেছেন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম শহীদ রঞ্জু। এ নিয়ে দলীয় সমর্থকরা সিদ্ধান্তহীনতায় ভুগছেন। দলীয় সমর্থক ও দলের শুভানুধ্যায়ীদের কাছ থেকে জানা যায় একই দলের দুই শীর্ষ নেতার ভিন্ন অবস্থান হওয়ায় নেতাকর্মীদের মাঝে ভিন্ন অবস্থান স্পষ্ট হয়েছে।
স্থানীয় ভোটারদের কাছ থেকে জানা যায়, স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম শহীদ রনজু জাতীয় পার্টির পরীক্ষিত নেতা সুখে দু:খে তাকে পাই, ফলে তার কথাই তারা ভাবছন। আবার কেউবা দলীয় প্রতীকের গুরুত্ব দিয়ে ভোট দেয়ার কথা ভাবছেন। বিশ্লেষকরা মনে করেন দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে কোন নেতাকর্মী প্রার্থী হলে দলীয় ঐক্যে প্রভাব ফেলতে পারে। এতে দলীয় ভোট ভাগ হয়ে যায় এবং প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী লাভবান হয়।
ফুলছড়ি উপজেলার জাতীয় পার্টির সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া জানান, এ অঞ্চলের মানুষ লাঙ্গল প্রতীকে ভোট দেয়। তাই স্বতন্ত্র প্রার্থী সুবিধা করতে পারবেন না।
গোলাম শহীদ রঞ্জু বলেন, আমি জাতীয় পার্টির পরিক্ষিত নেতা। এলাকার মানুষের পাশে সবসময় ছিলাম এবং আছি। দলীয় সমর্থকদের নিয়ে আমি দু’বার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছি। জাতীয় পার্টির আমি ভাইস চেয়ারম্যান, দল কেন আমাকে মনোনয়ন দেয়নি তা আমার বোধগম্যতায় আসেনা। দলীয় সমর্থকদের দাবির মুখে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আশাকরি সফল হবো ইনশাল্লাহ।
ব্যারিস্টার শামীম হায়দার পাটোয়ারী এ প্রতিবেদককে জানান, গাইবান্ধা জেলার মানুষ জাতীয় পার্টি তথা লাঙ্গল প্রতীকের ভক্ত। তাই একই দলের দু’জন প্রার্থী থাকলেও এতে প্রভাব পড়বে না বলে মনে করি।