শনিবার (২৪ জানুয়ারি) পাকুন্দিয়া উপজেলার চর পলাশ গ্রামে ও কটিয়াদি উপজেলার মসুয়া ইউনিয়নের পং মসুয়া সোহেল মেম্বারের বাড়িতে মহিলা দলের উদ্যোগে আয়োজিত ‘দেশ গড়ার পরিকল্পনা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় তাঁরা এডভোকেট জালাল উদ্দীনের পক্ষে ভোট চান।
সভায় এডভোকেট জালাল উদ্দীনের বড় মেয়ে এডভোকেট মাহবুবা জান্নাত মুমু বলেন, ‘আপনারা তো এডভোকেট জালাল উদ্দীন কে চেনেন? তিনি আমার বাবা। তাঁকে নিয়ে আমি অনেক গর্ব বোধ করি। কারণ, তিনি অনেক সৎ, তা–ই না? আপনারা কি আমার মতো তাঁকে নিয়ে গর্ব বোধ করেন? তিনি ৫০ বছর ধরে তিনি এ-ই এলাকায় রাজনীতি করে যাচ্ছেন। পাকুন্দিয়া পৌরসভার প্রথম মেয়র ছিলেন তিনি, জন্মের পর বাবার আদর স্নেহ কম পেয়েছি, কোনদিন দেখাও পাইনি। তিনি ভাবতে পাকুন্দিয়া কটিয়াদি সর্বস্তরের মানুষের কথা। তিনি পরিবারের চেয়ে আপনাদের কে বেশি ভালোবাসেন, তাই আমাদের চেয়ে আপনাদের সময় দিয়েছেন। এডভোকেট জালাল উদ্দীন একজন সৎ ব্যক্তি, আপনাদের পাশে সব সময় আছেন, আরও বেশি কাজ করতে চান। আমরা তাঁর জন্য দোয়া চাই। পাশাপাশি একটা করে ধানের শীষে ভোট চাই, যাতে তিনি জয়যুক্ত হতে পারেন।’
আগামী নির্বাচনে বিএনপি ক্ষমতায় এলে নারীদের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ করে দেওয়া হবে জানিয়ে সাফারুহ আরও বলেন, ‘এটা মহিলাদের জন্য অনেক সম্মানের। এই কার্ডে আপনাদের ছবি থাকবে। এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে আপনাদের দুই হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত মাসিক ভাতা দেওয়া হবে। পাশাপাশি আমাদের ভাই-ছেলেদের জন্য দেড় বছরের মধ্যে এক কোটি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে। শিক্ষিত বেকারদের ভাতার ব্যবস্থা করা হবে।’
এডভোকেট জালাল উদ্দীনের স্ত্রী চায়না জালাল বলেন, ‘তিনি ( এডভোকেট জালাল উদ্দীন ) বিএনপি ক্ষমতায় এলে এখানে (পাকুন্দিয়া কটিয়াদি) স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, কর্মমুখী শিক্ষা খাত হবে, এসব পেতে হলে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে হবে। ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সকাল কেন্দ্রে চলে গিয়ে একটা একটা করে ধানের শীষে ভোট দিয়ে আসবেন।’
সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন পাকুন্দিয়া-কটিয়াদি উপজেলা বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা–কর্মীরা।