
X
একটি এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, শৃঙ্খলা ও জনকল্যাণ অনেকাংশেই নির্ভর করে প্রশাসনের দক্ষতা, সততা ও মানবিকতার ওপর। বাকেরগঞ্জ উপজেলায় তেমনই এক নিবেদিতপ্রাণ প্রশাসনিক কর্মকর্তা হিসেবে ইতোমধ্যে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন করেছেন বর্তমান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক জনাব রুমানা আফরোজ।
বাকেরগঞ্জে যোগদানের পর থেকেই তাঁকে সাধারণ মানুষের পাশে সক্রিয়ভাবে কাজ করতে দেখা গেছে। বিভিন্ন ইউনিয়নে সরেজমিনে গিয়ে মানুষের সমস্যা শোনা, উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন এবং হতদরিদ্র ও গৃহহীন পরিবারের খোঁজ নেওয়ার মাধ্যমে তিনি জনদুর্ভোগ লাঘবে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। বিশেষ করে রাস্তা সংস্কার, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ ও মেরামতের মাধ্যমে উপজেলার যোগাযোগ ব্যবস্থায় এসেছে দৃশ্যমান উন্নয়ন।
জনসেবায় ব্যতিক্রমী ও মানবিক ভূমিকার কারণে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের প্রশংসায় ভাসছেন এই ইউএনও।
প্রশাসনে গতিশীলতা ও জনবান্ধব দৃষ্টিভঙ্গি
দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই প্রশাসনিক কর্মকাণ্ডে গতি ও শৃঙ্খলা এনেছেন জনাব রুমানা আফরোজ। তাঁর বিশ্বাস—
“প্রশাসন মানেই দূরত্ব নয়, প্রশাসন মানেই মানুষের পাশে থাকা।”
এই নীতিকে ধারণ করেই তিনি মাঠপর্যায়ে সরাসরি কাজ করে যাচ্ছেন।
দৃশ্যমান উন্নয়ন কার্যক্রম
তার নেতৃত্বে পৌর ও উপজেলায় বাস্তবায়িত হয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়নমূলক কাজ। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য—
● রাস্তা ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন
● পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার
● অবৈধ দখল উচ্ছেদ
● বাজার ব্যবস্থাপনা ও যানজট নিয়ন্ত্রণ
● শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবায় প্রশাসনিক সহায়তা বৃদ্ধি
এসব উদ্যোগের ফলে পৌর এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মান আগের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হয়েছে।
মানবিক ও সামাজিক দায়বদ্ধতা
শুধু প্রশাসনিক দায়িত্বেই সীমাবদ্ধ নন জনাব রুমানা আফরোজ। মানবিক ও সামাজিক দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রেও তিনি দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। প্রাকৃতিক দুর্যোগ, শীতকালীন সহায়তা কিংবা অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো সব ক্ষেত্রেই তাঁর সক্রিয় উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো।
বিশেষ করে—
● অসহায়দের মাঝে ত্রাণ বিতরণ
● শিক্ষার্থীদের সহায়তা
● অসুস্থ ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো
এসব কার্যক্রমের মাধ্যমে তিনি একজন মানবিক প্রশাসকের পরিচয় তুলে ধরেছেন।
স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার উদাহরণ
জনাব রুমানা আফরোজের অন্যতম বড় শক্তি হলো স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা। তিনি নিয়মিতভাবে জনগণের অভিযোগ শুনে দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করেন। অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তাঁর অবস্থান দৃঢ়। এর ফলে প্রশাসনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
তরুণদের জন্য অনুপ্রেরণা
তাঁর কর্মশৈলী আজ অনেক তরুণ প্রশাসনিক কর্মকর্তার জন্য অনুপ্রেরণার উৎস। সততা, দায়িত্ববোধ ও দেশপ্রেমের সমন্বয়ে তিনি দেখিয়ে দিচ্ছেন—কীভাবে একজন কর্মকর্তা প্রকৃত অর্থে জনগণের সেবক হতে পারেন।
সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা
এলাকার বাসিন্দারা মনে করেন, জনাব রুমানা আফরোজের মতো কর্মকর্তারা দায়িত্বে থাকলে উন্নয়ন ও সুশাসন নিশ্চিত করা সম্ভব। তাঁরা আশা করছেন, ভবিষ্যতেও তিনি একই নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে যাবেন।
জনাব রুমানা আফরোজ কেবল একজন ইউএনও বা পৌর প্রশাসকই নন তিনি একজন দায়িত্বশীল, মানবিক ও উন্নয়নবান্ধব প্রশাসক। তাঁর কর্মপ্রচেষ্টা প্রমাণ করে, সঠিক নেতৃত্ব ও সদিচ্ছা থাকলে যেকোনো এলাকাকে উন্নয়নের পথে এগিয়ে নেওয়া সম্ভব।
নিঃসন্দেহে তিনি একজন নীরব উন্নয়নযোদ্ধা, যাঁর কাজ আগামী প্রজন্মের জন্য অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।