প্রকাশ: সোমবার, ২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১২:১৭ পিএম (ভিজিট : ১০৫)

X
গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ব বিরোধের জেরে সাহিদা বেগম (৫০) নামে এক গৃহবধূকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে মহিবুল্লা (২২) গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে টুঙ্গিপাড়া উপজেলার পাটগাতী মধ্যপাড়া গ্রামে এই নৃশংস ঘটনা ঘটে। নিহত সাহিদা বেগম ওই গ্রামের মৃত শরিফুল ইসলাম উস্তার স্ত্রী।
পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পাটগাতী মধ্যপাড়া গ্রামের সাহিদার পরিবারের সঙ্গে একই বংশের কাদের ওস্তা ও তার ছেলেদের দীর্ঘ দিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এরই জেরে আজ প্রতিপক্ষ কাদের ওস্তা, তার ছেলে আব্দুল আলী, রাজু, ইয়াসিন, মানিক ও মিজান দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সাহিদা বেগমের ওপর হামলা চালায়।
হামলাকারীরা সাহিদা বেগমকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ও কুপিয়ে মারাত্মক জখম করে। মাকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে ছেলে টুঙ্গিপাড়া সরকারি কলেজের ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র মহিবুল্লাকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে তাৎক্ষণিকভাবে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে দায়িত্বরত চিকিৎসক ডা. মঞ্জুরুল কবির সাহিদা বেগমকে মৃত ঘোষণা করেন। গুরুতর আহত মহববুল্লা বর্তমানে গোপালগঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত মহিবুল্লাহ জানান, "জমি নিয়ে বিরোধের জেরে পরিকল্পিতভাবে এই হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে। আমরা অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।" টুঙ্গিপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আইয়ুব আলী জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে এবং এ বিষয়ে আইনি প্রক্রিয়া চলমান।