প্রকাশ: বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৫:২৩ পিএম (ভিজিট : ২২৩)

X
বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হওয়ার অন্যতম কারণ হলো এখানের জলবায়ুর বিচিত্র। এদেশ ছয় ঋতুর দেশ ঋতু বৈচিত্র আমাদের দেশে প্রধান বৈশিষ্ঠ।যার প্রভাবে ফসলের উপর বিভিন্ন সময় চাষ করা হয়ে থাকে। এর ধারাবাহিকতায় টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উডজেলায় দেওপাড়া ইউনিয়নের মাকড়াই রাস্তার পাশে জলসিড়ি ফার্ম নামে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে চাষ শুরু করেছে।
অবুঝ সূর্যমুখী, সুর্য দেখেই চিরকাল সুখী- এ শ্লোগান নিয়ে চাষ করা শুরু হয়েছে বানিজ্যিকভাবে সুর্যমুখী ফুল চাষ। টাঙ্গাইলের নাগরপুর উপজেলার উপজেলার ইলিয়াস খান ও তার স্ত্রী রওশনারা জলসিঁড়ি ফার্ম নামে এক একর জায়গার উপর পরীক্ষামুলকভাবে ২ কেজি সূর্যমুখী ফুলের বীজ রোপন করেন। বর্তমানে সুর্যমুখী ফুল বাগানে ফুল ফোটে বাতাসে দোল খাচ্ছে। শুধু বানিজ্যিকভাবে চাষ করা হচ্ছে তা নয়।
যদিও সূর্যমুখী ফুল সারা বছর চাষ করা যায় কিন্তু অগ্রাহয়ণ মাস সব চাইতে উপযোগী।সাধাররণ ফাল্গুন চৈত্র মাসে সূর্যমুখী ফুল পরিপক্ক হলে বীজ উত্তোলন করা হয়।
বীজের রং যখন হালকা বাদামী ও শুস্ক হলে এবং ফুলের পাপড়ি ঝড়ে পড়লে তা কাটার উপযুক্ত হয়। সূর্যমুখী ফুল প্রধানত তেল বা শোভা এবং ফুলের রঙের উপর ভিত্তি করে ৭০টিরও বেশী প্রজাতি আছে। এরা সাধারণত ৪টি প্রধান গ্রুপে বিভক্ত সেমি-ডোয়ার্ফ (মাঝারি) ডোয়ার্ফ, ডোয়ার্ফ (খাটো) রঙিন বা আর্নামেন্টাল সূর্যমুখী। তবে জনপ্রিয় জাতগুলোর মধ্যে কিরণী (ডিএস১) ও বারি সূর্যমুখী ফুল ২ উল্লেখযোগ্য।
সুর্যমুখী চাষের ফলে মৌমাছি মধু সংগ্রহ করতে ফুলের বাগানে ঘুরে বেড়াচ্ছে।বহু দর্শার্থী রাস্তার পাশে দাড়িয়ে সৌন্দর্য নিচ্ছে। কেউ বা বাগানে নেমে নষ্টালজিয়া মেতে উঠেছে। দম্পতি জানায় আমরা প্রথম চাষ শুরু করেছি যদি ভালো ফলন পাই তাহলে ভবিষ্যতে এখানে সূর্যমুখী বীজের থেকে ভোজ্য তেল উৎপাদন করার জন্য তেলে স্থাপন করবো ।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে রপ্তানী করবো। এটাযে শুধু তেল উৎপাদন তা নয় এ থেকে খৈল পশু খাদ্য ওষুধি উপাদান. সৌন্দর্যজনিত ব্যবহারে পাওয়া যায়।এ বীজে রয়েছে প্রচুর প্রোটিন স্বাস্থ্যকর চর্বি ভিটামিন খনিজ থাকে।তৈল থেকে রান্নার কাজে শিল্পে বহুল ব্যবহৃত হয়ে থাকে।
জলসিঁড়ি ফার্মের মালিক রওশানারা জানান যদি ভালো ভাবে ফলন হলে ২মন তেল বীজ পাওয়া যাবে।যার দাম হবে ১লক্ষ ৬০হাজার টাকা।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিলশাদ জহান জানান যদি সে তেল উৎপাদনে কাজে সূর্যমুখী ফুলের বীজ থেকে শুর করে তহালে ভবিষ্যতে সরকারী ভাবে সহযাগিতা করা যাবে।